বিশ্বখ্যাত পিপল ম্যাগাজিনের ২০২৬ সালের ‘ওয়ার্ল্ডস মোস্ট বিউটিফুল’ তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছেন হলিউড সেনসেশন অ্যান হ্যাথাওয়ে। এবারের কভার স্টার হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এই অভিনেত্রী তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশের পাশাপাশি শুনিয়েছেন নিজের বদলে যাওয়ার এক অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প।

একসময় হলিউডে হ্যাথাওয়ের নামের সাথে ‘খিটখিটে’ বা ‘নাক উঁচু’ ধরনের কিছু তকমা জড়িয়ে ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তিনি নিজেকে এমনভাবে বদলেছেন যে, এখন তিনি কেবল একজন সফল অভিনেত্রীই নন, বরং সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাসের এক অনন্য প্রতীক।
পিপল ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হ্যাথাওয়ে জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি নিজেকে নিয়ে ভীষণ কঠোর ছিলেন। তাঁর ধারণা ছিল, নিজেকে যত বেশি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে, ততই ভালো শিল্পী হওয়া সম্ভব। তবে চল্লিশ ছোঁয়ার পর তাঁর এই দর্শনে বড় পরিবর্তন আসে। এখন তিনি নিখুঁত হওয়ার ইঁদুর দৌড়ে না দৌড়ে বরং মানসিক শান্তি আর কাজের আনন্দটুকুই বেশি খুঁজছেন। তাঁর ভাষায়, ‘অস্বস্তিকর জীবনকে বিদায় জানিয়ে এখন আমি শুধু সুন্দর মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে চাই। এই আত্মোপলব্ধিই আমাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে।’
চলতি বছর হ্যাথাওয়ের জন্য এক অনন্য মাইলফলক। এ বছর তাঁর অভিনীত পাঁচটি সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। তবে ভক্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা কাজ করছে ‘দ্য ডেভিল ওয়ারস প্রাডা ২’ নিয়ে। দীর্ঘ দুই দশক পর আবারও কালজয়ী ‘অ্যান্ডি স্যাকস’ চরিত্রে ফিরছেন তিনি, যা দর্শকদের মনে নতুন করে নস্টালজিয়া তৈরি করবে।



