২০২৫ সাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আর ভূমিকম্প আতঙ্কে। বছর জুড়েই আলোচনায় ছিল আগুন। এর মধ্যে অক্টোবরে মিরপুরে কারখানায় আগুন লেগে মারা যায় ১৬ জন। এ ছাড়া শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন লেগে ক্ষতি হয় ১২ হাজার কোটি টাকার। আর নভেম্বরে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত হয় ১১ জন, আহত হয় পাঁচ শতাধিক মানুষ।
২৫ নভেম্বর রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে আগুন লাগে। পুড়ে যায় বস্তির প্রায় দেড় হাজার ঘর। নিঃস্ব হয় হাজারো বাসিন্দা। এর আগে, ১৪ অক্টোবর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে রাসায়নিকের গুদামে আগুন লাগে। দগ্ধ হয়ে মারা যান ১৬ জন।
মিরপুরের রেশ না কাটতেই ১৮ অক্টোবর আগুন লাগে শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে। যা নেভাতে সময় লাগে অন্তত ২৭ ঘণ্টা। দেড় মাসেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি পণ্য সরবরাহ।
ফায়ার সার্ভিসের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলী আহমেদ খান জানান, এ বছর ১০ মাসে আগুনের ঘটনা ঘটেছে ২১ হাজার ৭২৭টি।
আগুনের আতঙ্কের মধ্যে বছরের শেষ দিকে শঙ্কা তৈরি করে ভূমিকম্প।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার বলেন, ২১ নভেম্বর সকালে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে রাজধানীসহ সারা দেশ।
বারবার দুর্যোগের মুখে দাঁড়িয়ে আবারও সামনে এসেছে সেই পুরোনো প্রশ্ন, দুর্যোগ মোকাবিলায় কতটা প্রস্তুত দেশ?



