চীনের সঙ্গে যৌথভাবে শিশু কার্ডিয়াক ক্লিনিকের উদ্বোধন হলো জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে। যেখানে সরাসরি চীনের চিকিৎসকরা সেবা দেবেন। এর মাধ্যমে হার্টের জন্মগত ত্রুটির সার্জারি, উচ্চতর গবেষণা আর স্বাস্থ্য প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ একধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা চিকিৎসকদের।
১২৫০ শয্যার হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে প্রতি বছর হার্টের ছিদ্রসহ জন্মগত নানা ত্রুটি নিয়ে ভর্তি হয় হাজারের বেশি শিশু। এদের অনেকেরই জটিল অপারেশন প্রয়োজন হয়, যা দেশে সম্ভব নয়।
এমন শিশুদের চিকিৎসা নিশ্চিতে চীনের ফুওয়াই কার্ডিওভাস্কুলার হাসপাতালের সঙ্গে কাজ কর্বে হৃদরোগ ইনস্টিটিউট। মঙ্গলবার সকালে যৌথ এ শিশু কার্ডিয়াক ক্লিনিকের উদ্বোধন কোরে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম বলেন, ‘চুক্তিটির ফলে শিশু হৃদরোগ চিকিৎসায় এগিয়ে যাবে দেশ।’
চীনা চিকিৎসকদের একটি দল নিয়মিত এ হাসপাতালের ডাক্তারদের সঙ্গে নিয়ে জটিল রোগীদের চিকিৎসা দেবে। প্রয়োজনে চিকিৎসক ও নার্সদের উন্নত প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের জন্য চীনে পাঠানোর ইঙ্গিতও দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর বলেন, এটির ফলে আমাদের দেশে হৃদরোগ সেবাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যেটা আশা করছি এবং চীনা কর্তৃপক্ষ আমাদের যেটা ভরসা দিয়েছে—তারা চাচ্ছে আমাদের সাথে দীর্ঘমেয়াদি একটি সম্পর্ক বজায় রাখতে।’
একই দিনে হাসপাতালটিতে ১০ শয্যার ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারও উদ্বোধন হয়। যেখানে জটিল রোগীদের রাখা হবে সাময়িক পর্যবেক্ষণে।



