চলতি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত বেড়েছে দ্বিগুণ। জুনের ৩০ দিনে যেখানে আক্রান্ত ২ হাজার ৯ শ জন, সেখানে জুলাইয়ের ১৭ দিনেই আক্রান্ত সাড়ে ৩ হাজারের বেশি। কীটত্তত্ববিদেরা বলছেন, আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভয়াবহ হতে পারে পরিস্থিতি।
সাধারণত জুলাই থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি শুরু হয়। এবার শুরু থেকেই ভয়াবহ পরিস্থিতি। গত ১৭ দিনে আক্রান্ত ৩ হাজার ৬৬৬ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।
সবশেষ কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় বাড়ছে শঙ্কা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিন দিন ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে আরও ভয়াবহ হবে।
কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার জানান, বেশ কয়েকটি বিষয় পর্যবেক্ষণ করে মনে হচ্ছে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু ভয়াবহ হতে পারে পরিস্থিতি। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশালের বেশ কয়েকটি জেলায়। এক্ষেত্রে করণীয় হলো, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পরামর্শ ব্যাপকভাবে চালাতে হবে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ওষুধ ছিটানোর পাশাপশি সচেতনতার কথা বলছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। এডিস নিধনে পরিচ্ছন্নতাসহ নেওয়া হয়েছে নানা কার্যক্রম।
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘এডিস নিধনে ওষুধ ছিটানোসহ নানা কার্যক্রম চলছে। তবে সব জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব না। তাই নিজেদের সচেতন হবে। প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।’
ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে কিছু নির্দেশনা আছে, সেই নির্দেশনামাফিক আমরা কাজ করে চলেছি। এডিস মশার লার্ভা যাতে কোথাও না পাওয়া যায় এবং অন্য মশাও নিধনে কার্যক্রম চলছে।’
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯ হাজার ৭৭০ জন। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের। এদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি আক্রান্ত গত দেড় মাসে।



