সারা দেশে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বরিশাল বিভাগে এরই মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে পাঁচ হাজার। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ফেনীতেও প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ডেঙ্গু রোগীদের সেবা দিতে হাসপাতালে খোলা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড।
বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার জানান, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরে এবছর ডেঙ্গু আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। ওই দুই জেলার রোগীরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ভিড় করছেন বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বর্তমানে হাসপাতালটির ৬টি আলাদা মেডিসিন ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ৫ হাজার ৭৯৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আগস্টের শুরু থেকেই চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়তে থাকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিন গড়ে ৫০ রোগী ভর্তি হচ্ছে জেলা হাসপাতালে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসাপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাহবুব হাসান জানান, বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স ও চিকিৎসকরা। খোলা হয়েছে আইসোলেশন কর্নার।
ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গুর জন্য আলাদা কর্নার থাকলেও শয্যা সংকটে মেডিসিন বিভাগের অন্য রোগীদের সঙ্গেই রাখা হচ্ছে ডেঙ্গু আক্রান্তদের। রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে পর্যাপ্ত স্যালাইন ও ওষুধ না পেয়ে কিনতে হচ্ছে বাইরে থেকে। মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা।
ফেনী সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোবারক হোসেন দুলাল বলেন, ‘ডেঙ্গু পরীক্ষার পর্যাপ্ত কিট মজুত রয়েছে।’
ফেনী পৌর প্রশাসক মো. দিদারুল আলম বলেন, ‘ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে নানা প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’
ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহারের পরামর্শ চিকিৎসকদের।



