ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে তুলতে ফেসিয়ালের তুলনা নেই। ইদানিং এতে নতুন সংযোজন হাইড্রা ফেসিয়াল।
কোরিয়ান গ্লাস স্কিনের ট্রেন্ড শুরু হওয়ার পর এই ফেসিয়ালের কদর বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। ছোট-বড় সব পার্লারেই হাইড্রা ফেসিয়ালের যেন ধুম পড়েছে!
এই ফেসিয়াল সাধারণ ফেসিয়ালের চেয়ে সামান্য আলাদা। অন্যান্য ফেসিয়ালে হাতের তালু দিয়েই ধীরে এবং চেপে চেপে ম্যাসাজ করা হয়। এর ফলে ত্বকের গভীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। কোষগুলোতে অক্সিজেন সঞ্চালন বৃদ্ধি পাওয়ায় চেহারার উজ্জ্বলতা বেড়ে যায়।

অন্যদিকে হাইড্রা ফেসিয়ালে প্রধান কাজ সম্পন্ন করা হয় যন্ত্রের মাধ্যমে। যন্ত্রটিতে নানারকম ফিচার দেওয়া থাকে।
ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে এক ধরণের গ্লো এনে দেয় এই ফেসিয়াল। তবে হাইড্রা ফেসিয়াল করানোর আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত।
- যে কোনও ত্বকের জন্যই হাইড্রা ফেসিয়াল উপযুক্ত। তবে যাদের ত্বক কিছুটা সংবেদনশীল, তাদের এই ফেসিয়াল এড়িয়ে চলা উচিত।
- হাইড্রা ফেসিয়াল করানোর অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে ত্বকে কোনও নতুন পণ্য মাখবেন না। দানাযুক্ত স্ক্রাব বা এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার করবেন না।
- হাইড্রা ফেসিয়াল করানোর আগে ও পরে থ্রেডিং বা ওয়াক্সিং একেবারেই করানো চলবে না। এতে ত্বকে র্যাশ বেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- হাইড্রা ফেসিয়াল করানোর সময়ে লেজার ট্রিটমেন্ট বা বোটক্স করানো যাবে না।
- রোদে বেরোনোর আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন মাখবেন। ফেসিয়ালের পর এটি আরও ভালোভাবে মেনে চলবেন।


এলইডি মাস্ক কি ত্বকের জন্য সত্যিই উপকারী?
বলিরেখা প্রতিরোধে যা করবেন
