মোমের আলোয় পা ছড়িয়ে পড়তে বসার স্মৃতি এ প্রজন্মের অনেকেরই নেই। লোডশেডিং হলেই লম্বাটে সাদা মোমবাতির খোঁজ পড়ত তখন। বর্তমানে প্রয়োজনীয় এই মোমবাতিই হয়ে উঠেছে ঘর সাজানোর শৌখিন অনুষঙ্গ।
সময়ের সঙ্গে মোমবাতির নকশা, আকৃতি, ধরন সব কিছুতেই পরিবর্তন এসেছে। কিছু মোমবাতি পানিতে ভাসানো যায়; আবার কাঁচের জারের ভেতরেও থাকে সুগন্ধযুক্ত বাহারি সব মোমবাতি।
মোম দিয়ে অনায়াসে আপনার ঘরকে নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। তবে কী উদ্দেশ্যে মোমবাতি ব্যবহার করবেন তা আগে ঠিক করে নিন।
ঘর বুঝে মোমবাতি ব্যবহার
ঢালাওভাবে সব ঘরে সুগন্ধি মোমবাতি ভালো লাগবে না। খাবার ঘরের কথাই ধরুন। খাবারের টেবিলে সুগন্ধযুক্ত মোমবাতি খাবারের গন্ধের সঙ্গে মিলেমিশে যেতে পারে। এ ঘরের জন্য বেছে নিতে হবে মাল্টিক্যান্ডেল হোল্ডার সহকারে ফুডগ্রেড মোমবাতি।
আবার শোবার ঘরে রাখতে পারেন এমন অ্যারোমাযুক্ত মোম, যা সুন্দর আবহ তৈরির পাশাপাশি স্নায়ুকে শান্ত করতে সাহায্য করবে। সারাদিনের ধকল শেষে শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ে সবাই। পছন্দের সুগন্ধযুক্ত মোমবাতি জ্বালিয়ে ঘরের মধ্যেই তৈরি করতে পারেন মনোহর পরিবেশ।
বসার ঘরের সেন্টার টেবিল, কফি টেবিল বা বারান্দার এক কোণেও রাখতে পারেন বিভিন্ন আকারের মোমবাতি। বিবাহবার্ষিকী বা জন্মদিনের উৎসবের জন্য সংখ্যা বা অক্ষর লেখা ঝলমলে মোমবাতি বেছে নিতে পারেন।

আবার বাথরুমেও রাখতে পারেন সুগন্ধি মোমবাতি। দুর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি সৌন্দর্যচর্চাকেন্দ্রের মতো একটি পরিবেশ সৃষ্টি হবে। ইউক্যালিপটাস বা ল্যাভেন্ডার সুগন্ধিযুক্ত মোমবাতি ব্যবহার করতে পারেন ঘরের এই অংশে।
আড়ং এ ঘর সাজানোর উপযোগী মোমবাতির দারুণ কালেকশন রয়েছে। ইয়েলো, মিনিসোতেও পাবেন সুগন্ধযুক্ত মোমবাতি; এ ছাড়া অনলাইন বিভিন্ন শপ এনেছে কাঁচ বা অ্যালুমিনিয়াম জারের মোমবাতি। চাইলে ঘরেও নিজে বানিয়ে নিতে পারবেন পছন্দের সুগন্ধযুক্ত মোমবাতি।



