ঢাকার সঙ্গে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার সরাসরি ফ্লাইট চালু হয়েছে। প্রথম দিনে ইথিওপিয়ার অত্যাধুনিক বোয়িং ড্রিমলাইনার ৭৮৭-৯ উদ্বোধনী ফ্লাইট চালু করে।
আজ রোববার ফ্লাইটটি সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পৌঁছায়। এসময় এভিয়েশন খাতের রেওয়াজ অনুযায়ী জল কামানের স্যালুট দিয়ে উড়োজাহাজটিকে ঢাকায় বরণ করে নেয় সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ।
পরে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে আবার আদ্দিস আবাবায় ফিরে যায়। নতুন এ সেবার মধ্য দিয়ে দুদেশের মধ্যকার আর্থ-সামাজিক সম্পর্ক ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আফ্রিকার শীর্ষ বিমান সংস্থা এবং স্টার অ্যালায়েন্সের সদস্য ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস সপ্তাহে পাঁচটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। ফ্লাইটগুলো রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা ছেড়ে যাবে। এছাড়া অতিরিক্ত ফ্লাইট প্রতি সোম ও শুক্রবার সকালে ঢাকা ছাড়বে।
বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া বলেন, ‘ইথিওপিয়াকে বলা হয় আফ্রিকার প্রবেশদ্বার। এই অপারেটরটি বাংলাদেশি যাত্রীদের আফ্রিকার বিভিন্ন গন্তব্যসহ ইউরোপ-আমেরিকাকেও কানেক্ট করবে। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে প্রচুর বাংলাদেশি কাজ ও ব্যবসা করেন। ইথিওপিয়া এয়ারলাইন্সে দেশে তারা আসা-যাওয়ার সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে কর্মরত বাংলাদেশের সদস্যরা ছুটিতে দেশে আসার ক্ষেত্রে যে জটিলতায় পড়তেন, এর মাধ্যমে তা অনেকখানি দূর হবে। আফ্রিকা থেকে ঢাকায় আসার খরচও অনেক কমবে।’
চেয়ারম্যান মনজুর কবির ভুঁইয়া বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বছরে ১২ থেকে ১৩ মিলিয়ন যাত্রী বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করে। জরিপ বলছে, আগামী ২০৩৫ সাল নাগাদ যাত্রীদের এই সংখ্যা ২৬ মিলিয়নে গিয়ে ঠেকবে। সেভাবে আমরা তৃতীয় টার্মিনাল প্রস্তুত করছি।’
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় বাংলাদেশিরা আফ্রিকা, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকাসহ বিশ্বের ১৫৫টিরও বেশি গন্তব্যে সহজে চলাচলের সুবিধা পাবেন।



