আগামী নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার থাকবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার। একইসঙ্গে অতীতে যারা নির্বাচনী অপরাধ করেছেন, তাদের শাস্তির মুখোমুখি করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আজ সোমবার রাজধানীতে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সুশাসনের জন্য নাগরিক আয়োজিত ‘সংস্কার কমিশনের অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রতিবেদন পেশ: তারপর কী’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, ৫৩-৫৪ বছরেও দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সমুন্নত হয়নি। নির্বাচন ব্যবস্থা নির্বাসনে চলে গেছে। এখন কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করে আগাছাগুলো পরিচ্ছন্ন করা উচিত।
নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনে ‘না’ ভোটের বিধান যুক্ত করার বিষয়েও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়েছে। নো ইভিএম। বরং যারা ইভিএম যারা করেছে, তাদের ব্যাপারে তদন্ত হওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশন যে অন্যায়গুলো করেছে, এগুলোর তদন্ত হওয়া দরকার। তা নাহলে অন্যায়কারীরা অন্যায় করতে আরও উৎসাহিত হবে।’
আবার যেন স্বৈরাচার ফিরে না আসে এমন দাবি জানিয়েছেন বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, আর যেন কতৃত্ববাদ ও ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে সে জন্যই সংস্কার দরকার।
স্থানীয় সরকার আইন সমন্বিত করা গেলে একই তফসিলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন করা সম্ভব বলে জানান স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘যদি আইনটাকে আমরা একীভূত আইন করতে পারি। যদি সংসদীয় কাঠামোটা করা যায়, তাহলে কিন্তু একদিনে নির্বাচন করা যাবে। একদিনে মানে একটি নির্দিষ্ট শিডিউলে।’
সংস্কার কমিশন চলতি মাস শেষে প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা।



