পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালপত্র পরিবহনের জন্য নির্মিত রেলপথ প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রকল্পে ৩৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৩১৮ কোটিই লোপাটের অভিযোগ আছে। তিন বছর আগে কাজ শেষ হওয়া রেললাইনটি কোনো কাজেই লাগছে না।
২০১৮ সালে কাজ শুরু হয়ে ২০২২ সালের জুনে শেষ হয় রূপপুর রেলস্টেশন ও রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প। ব্যয় হয় ৩৩৫কোটি ৯৭ লাখ টাকা। উদ্বোধন হয় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
স্থানীয়রা বলছেন, উদ্বোধনের দুই বছর পেরোলেও এখান দিয়ে এখনও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কোনো মালপত্র পরিবহন হয়নি। বরং নতুন ওয়াগন ও কোচ রাখার জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে স্টেশনটি।
প্রকল্পের আওতায় রূপপুরে রেলস্টেশন, ১৩টি লেভেল ক্রসিং গেট, একটি প্ল্যাটফর্ম, ৭টি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। যার সবই অব্যবহৃত পড়ে আছে।
দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, প্রকল্পটির ২০১৮-১৯ অর্থবছরের কাজের ব্যয় নিয়ে, ২০২০ সালের আগস্টে অডিট হয়। সেখানেই প্রথম, প্রকল্পটিতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বাড়তি দামে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সরঞ্জাম কেনা, কাজের আগে কিংবা কাজ না করেই বিল ওঠানোসহ পুরো প্রকল্প নিয়ে অভিযোগের তালিকা বেশ লম্বা।



