জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ের একটি সহিংসতা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়েছে। রাজধানীর লালবাগ থানার এই মামলায় তাঁর দুই দিনের রিমান্ড চেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আবেদনে ডিবি উল্লেখ করেছে, মামলাটির অন্যান্য পলাতক আসামিদের অবস্থান জানতে আসামির দুই দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে উত্তরা ও বনানী থানাতেও দুটি মামলা আছে। রংপুরের একটি হত্যা মামলারও পলাতক আসামি তিনি।
এর আগে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। সহিংসতার এক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল। এরপর থেকে টানা চারবার তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। তিনি রংপুর-৬ আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন।
শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট রংপুরের আদালতে একটি হত্যা মামলা হয়। মামলার আরজিতে বাদী উল্লেখ করেন, সাবেক স্পিকার ও এলাকার সংসদ সদস্য শিরীন শারমিনের নির্দেশে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা তাঁর স্বামী মুসলিম উদ্দিনকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। মুসলিম উদ্দিন ছিলেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী।



