প্রায় দুই বছর পর ভারতের ভ্রমণ ভিসা চালু হওয়ার পর প্রতিদিন আবেদন করছেন কয়েক হাজার ভিসা প্রত্যাশী। তবে সম্প্রতি দুই দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে নিরাপত্তার শঙ্কায় অনেকেই।
ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের ৪ মাস পর স্বাভাবিক হলো ভিসা কার্যক্রম। ২৮ জুন চালু হওয়ার পর প্রতিদিনই ভিসা সেন্টারগুলোতে ভিড় করছেন হাজারো মানুষ।
ভারতের পর্যটন ভিসা চালুর সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরলেও সম্প্রতি নানা ঘটনায় উদ্বিগ্ন ভিসা প্রত্যাশীরা। সীমান্তে পুশ-ইন চেষ্টাসহ নানা কারণে নিরাপত্তা শঙ্কায় অনেকেই। দেশটিতে গিয়ে যাতে হয়রানির শিকার হতে না হয়, সে উদ্বেগের কথা জানান কেউ কেউ।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ওবায়দুল হক বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে আক্রমণ চলছে এবং ভারতে বাঙালি মুসলমান যেভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে– তা দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক না। শুধু ভিসা দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে বলে আমার মনে হয় না।’
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ তো বাধ্য হয়ে যাচ্ছে না। তাই ভারতকেও তাদের অর্থনীতি বিবেচনা করা বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তবে ব্যক্তির নিরাপত্তা সবসময় দেশে দেখা সম্ভব না। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’
বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও অর্থনীতির জন্য দুই দেশের মানুষের যাতায়াত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সীমান্ত স্বাভাবিক করা এবং ভারতে বাংলাদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দুই দেশের কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধিতে জোর দিয়েছেন তারা।



