পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ‘গত ১৭ বছরের জুলম, নির্যাতন, হামলা মামলা আর জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ সকলে এই মঞ্চে কথা বলতে পারছি। তাই তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। এই সরকার জুলাই যোদ্ধাদের পাশে থাকবে।’
শনিবার বিকেলে নাগরিক কমিটির আয়োজনে ফরিদপুর শহরের থানা রোডে নাগরিক আলোচনা ও বিজয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ত্যাগ ও আন্দোলনের মাধ্যমে আজ দেশে গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি। তবে কিছু ভুলের কারণে ১৭ বছরের অবদান নষ্ট হতে পারে। তাই সমাজ থেকে অপরাধ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী নির্মূল করতে হবে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফরিদপুর অঞ্চলের কৃষি ক্ষেত্রে পানি সংকট নিরশনে ইতিমধ্যে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের প্রকল্পসহ খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় বিএনপি সরকার কাজ করছে। দ্রুতই এই এলাকায় কৃষকদের স্বার্থে পেয়াজ সংরক্ষণাগার করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ফরিদপুর বিভাগ, সিটি করপোরেশন, বিশ্ববিদ্যালয়সহ এই অঞ্চলের উন্নয়নে দলমতধর্ম নির্বিশেষে এক হতে হবে।’
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (অব.) ডা. মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর-১ আসনের জামায়াত ইসলামীর সংসদ সদস্য ড. ইলিয়াস মোল্লা, জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এএফএম কাইয়ুম জঙ্গী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোদাররেস আলী ইছা, জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির শুরা সদস্য আব্দুত তাওয়াব, সাবেক এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মীর নাসির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক কাজী রিয়াজ।
নাগরিক আলোচনা ও বিজয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ফরিদপুরের চারটি আসনের সংসদ সদস্যদের আমন্ত্রণ জানালেও দুই জন সাংসদ মঞ্চে অনুপস্থিত ছিলেন।



