খুলনার ৬ আসনে বিএনপি-জামায়াতের কঠিন লড়াই

খুলনার ছয়টি সংসদীয় আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। জোট ও উন্নয়ন রাজনীতির হিসাব মিলিয়ে ভোটের ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম

খুলনার ছয়টি আসনই বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিতি। খুলনা জেলায় মোট ভোটার ২১ লাখ ১ হাজার ৩৩৫ জন। এবারের নির্বাচনে জোটকে ছাড় দেওয়ায় পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে জামায়াতে ইসলামী। নেতারা বলছেন, রাষ্ট্রগঠনে জনগণ পরিবর্তন চাইছে, তাই জয়ের জন্য আশাবাদী তাঁরা। তবে বিএনপি আমলের উন্নয়নের কারণে জেলার সব আসনই নিজেদের দখলে নেওয়ার আত্মবিশ্বাস বিএনপির।

সুন্দরবনবেষ্টিত বন্দরনগরী খুলনার ছয়টি আসনের সবগুলোতেই প্রার্থী রয়েছে বিএনপির। তবে খুলনা-৪ আসনটি জোটের খেলাফত মজলিসকে ছাড় দেওয়ায় জামায়াত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে পাঁচটিতে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের পাঁচ প্রার্থীসহ মোট প্রতিদ্বন্দ্বী আছেন ৩৮ জন। গণতেন্ত্রের অগ্রযাত্রার পথে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে চান ভোটারেরা।

স্থানীয়রা বলছেন, এ দেশের মানুষ দীর্ঘ সময় ভোট দিতে পারে নাই। এবারের ভোটে ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণের জোর আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

২০০১ সালে বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচন করেছিল জামায়াত। তিনটি আসনে বিএনপি এবং দুটিতে জামায়াত জিতেছিল। খুলনা-১ আসন পেয়েছিল বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।

এবার সব আসনেই জয়ের আত্মবিশ্বাস বিএনপির। নেতাদের আশা, বিএনপি আমলের নানা উন্নয়ন বিবেচনায় তাঁদেরকেই বেছে নেবেন ভোটারেরা।

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘এখানে কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ নেই। খুলনার ছয়টি আসনই বিএনপির ঘাঁটি। আমরাই এখানে নির্বাচিত হব।’

এদিকে এবার এনসিপিসহ কয়েকটি দলের সঙ্গে জোট বেঁধেছে জামায়াত। নেতারা বলছেন, পরিবর্তন চাইছেন ভোটারেরা।

খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান জানান, জামায়াত সরকারকে এককভাবে ক্ষমতায় এখনও দেখেনি জনগণ। তাদের মধ্যে এটি দেখার একটা প্রত্যাশা রয়েছে।

খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব মো. বাবুল হাওলাদার বলছেন, এবার ভোটের হিসাব হবে ভিন্ন। বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে কোন দল এগিয়ে থাকবে তা আগাম বলা কঠিন। 

বিরোধীদল অযৌক্তিক আন্দোলনে গেলে জনগণ তা প্রত্যাখান করবে বলে মনে করেন বিএনপি নেতারা। তাদের ধারাবাহিক কর্মসূচির বিপরীতে কোনো পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তাও নেই সরকারি দলের। বিএনপির নেতারা বলছেন,...
বিরোধীদলকে লংমার্চের আগে সংসদে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে সরকার কী করতে পারে তার একটা পরিকল্পনা দেওয়ার আহ্বান জানালেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
অন্তর্বর্তী সরকার ১৮ মাসে নির্বাচিত সরকারকে বিপদে ফেলার সব ছক তৈরি করে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। আজ শুক্রবার নিজের...
বিরোধী দল অযৌক্তিক আন্দোলনে গেলে জনগণ তা প্রত্যাখান করবে বলে মনে করেন বিএনপি নেতারা। তাদের ধারাবাহিক কর্মসূচির বিপরীতে কোনো পাল্টা কর্মসূচি দেয়ার চিন্তাও নেই সরকারি দলের। বিএনপির নেতারা বলছেন,...
জনস্বার্থ বিষয়ক প্রকল্পের অর্থায়নে নির্দিষ্ট উৎসের ওপর নির্ভর করতে চায় না সরকার। বরং ভিন্ন ভিন্ন উৎসের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। এমনটাই জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘সরকার এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে।’ ‎ ‎শুক্রবার বিকেলে যশোর কারিগারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আয়োজিত...
এক বছরের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের এলএনজি আমদানি ৬১ শতাংশ বেড়েছে। ফলে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে এলএনজি আমদানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ১৭তম অবস্থানে রয়েছে।
ক্ষুদ্র ব্যক্তি স্বার্থ ও দলীয় স্বার্থে ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তির মধ্যে অনৈক্য দেখা দিয়েছে বলে মত বিশিষ্টজনদের। জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন না হওয়াও অনৈক্যের আরেক বড় কারণও বলছেন তারা। তবে সরকার এগিয়ে...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর