বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘আমাদের নারী গণসংযোগকারী মা-বোন, কন্যারা আমাদের প্রতীকের প্রচারের জন্য মা-বোনদের কাছে যাচ্ছেন। তাঁদের শান্তিপ্রিয় গণসংযোগে সন্ত্রাসী কায়দায় মেয়েদের গায়ে হাত তোলা হচ্ছে। এই অপতৎপরতা বন্ধ করা না হলে, হিজাব নিয়ে টানাটানির দুঃসাহস দেখানো হলে যে আগুন জ্বলবে, সে আগুন নেভানোর সক্ষমতা কারো থাকবে না।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় নবীগঞ্জ জেকে উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হবিগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত ও ১১ দলীয় সমর্থিত প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় মাওলানা মামুনুল হক এসব কথা বলেন।
এ সময় মাওলানা মামুনুল হক আরও বলেন, অতীতের জরাজীর্ণ লুণ্ঠন ও দুর্নীতির বাংলাদেশকে ইনসাফের বাংলাদেশে পরিণত করার জন্য অনেক চড়াই-উৎরাই, জীবন আর রক্ত দিতে হয়েছে। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের যে বিজয় সূচিত হয়েছিল, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে মানুষ তা নিয়ে হতাশ হয়েছে। এ দেশে মানুষকে শাসনের নামে শোষণ করা হয়েছে। এ দেশের মানুষের অধিকারের কথা বলে বৈষম্য করা হয়েছে। এ দেশের মেহনতি কৃষক, শ্রমিক ও মজদুর মানুষের সামান্য অংশ দেশে রেখে দুর্নীতিবাজ শাসকগোষ্ঠী বিদেশে পাচার করেছে।
জনসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব তোফাজ্জল হুসাইন মিয়াজী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব মো. মশিউর রহমান, হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মুখলেছুর রহমান, সিলেট মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি শাহ জাহান আলী, হবিগঞ্জ খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা হুসাইন আহমাদ নূরী, হবিগঞ্জ জেলা নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল এবং হবিগঞ্জ জেলা নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা ফখরুল ইসলাম।



