সরকারের উদ্দেশ্যে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেননি। এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানর পরিবর্তে এক কোটি মানুষের হাতে চাঁদাবাজির চাবি দিয়েছেন।’ লংমার্চের অংশ হিসেবে শনিবার বিকেলে বগুড়ার বিমানমোড়ে (সাতমাথা) আয়োজিত জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, তিস্তা ব্যারেজ বাস্তবায়ন, দুর্নীতি- চাঁদাবাজি বন্ধসহ’ আট দফা দাবি বাস্তবায়নে দ্বিতীয় লংমার্চ করছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। গাজীপুর, টাংগাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা হয়ে রংপুর জেলা স্কুলে গিয়ে শেষ হবে এ লংমার্চ।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘দুর্নীতি বেড়েছে। সরকারি চাকরির ভাইবার মার্ক ডাবল করেছে দলীয় লোকদের নিয়োগের জন্য। যে চাকরির জন্য লড়াই হয়েছে, প্রয়োজনে আবার করব। মানুষ সার পায় না, গ্যাস পায় না। বিদ্যুত নাই। এর জন্যই লংমার্চ।’
সরকারকে হুশিয়ারি দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় ঘোষণা আসবে এক দফার।’
১১ দলীয় ঐক্যের দ্বিতীয় দফার লংমার্চ ঢাকা-রংপুর অভিমুখে। ৭ টি জনসভা ও ৫ টি পথসভায় মধ্যে দিয়ে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচি পালন করে ১১ দলীয় ঐক্য। জনসভাগুলোতে উঠে আসে সরকারের নানা ব্যর্থতা ও সমালোচনা। গণ অভ্যুত্থানের পরও সরকার স্বৈরাচার আচরণ করছে অভিযোগ করে বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করতেই হবে।
দুর্নীতি, দখলদারি, চাঁদাবাজি বন্ধ, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি সংকট সমাধান, গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা না মানা হলে ১ দফা ঘোষণা করা হবে বলে জানান জামায়াতের আমির।
রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য প্রয়োজনে ফ্যাসিবাদ সরকার পতনের মত আবারো রাস্তায় নামার হুশিয়ারি দেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা



