বাতাসে ভাসতে ভাসতে খাবার খেতে চান? তবে আপনার জন্য সুখবর। শিগগিরই স্ট্রাটোস্ফিয়ারে বসে খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলতে যাচ্ছে। তবে পকেটের পয়সা একটু বেশিই খরচ করতে হবে। একবেলা খেতে গুনতে হবে প্রায় ৫ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানায়, বিলাসবহুল মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসভিআইপি এই উদ্যোগ নিয়েছে। ছয় ঘণ্টার উচ্চ-প্রযুক্তিসম্পন্ন স্পেস বেলুনে ভ্রমণের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য সুস্বাদু খাবারের বন্দোবস্ত করেছে সংস্থাটি। এরইমধ্যে একজন ডেনিশ শেফ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শেফ রাসমাস মুংক ছয়জন অতিথির জন্য লোভনীয় খাবার বানাবেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ লাখ ফুট বা ৩০ কিলোমিটার ওপরে পরিবেশন করা হবে এই খাবার। খাবার খেতে খেতে সূর্যোদয় দেখার সুযোগ পাবেন অতিথিরা। একইসঙ্গে ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে বাড়িতে থাকা কাছের মানুষ ও বন্ধুদের সঙ্গে লাইভ স্ট্রিমিং করার সুযোগ দিচ্ছে স্পেসভিআইপি।
বিখ্যাত ডেনিশ রেস্তোরাঁ অ্যালকেমিস্টের শেফ রাসমাস জানান, তিনি চান খাবারগুলো ভ্রমণের মতোই উদ্ভাবনী হোক। রোমাঞ্চকর সফরের পাশাপাশি এই খাবারের অভিজ্ঞতা মানুষ চিরকাল মনে রাখবেন বলে মনে করেন শেফ।
ব্যয়বহুল হলেও মহাকাশযানে প্রথম ট্রিপে অনেকেই যেতে আগ্রহী। অনলাইনে ঘোষণা দেওয়ার ২৪ ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে অনেক লোক বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ শুরু করেছেন। রেজিস্টেশনের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন অনেকে।
আগামীতে আরো বেশি মানুষ এই অনন্য অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলে ব্যয়বহুল যাত্রার খরচ কমানো হবে। স্পেসভিআইপি প্রতিষ্ঠাতা রোমান চিপোরুখা বলেন, এরইমধ্যে অনেকে এই অভিজ্ঞতার সাক্ষী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে এখন মাত্র ছয়টি আসন রয়েছে। পরবর্তীতে সংখ্যাটি বাড়ানো হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
স্পেসভিআইপির বিবৃতি অনুসারে, মহাকাশযানটি একটি স্পেস বেলুনের সহায়তায় উত্তোলন করা হবে। এতে রকেটের পরিবর্তে নাসার তৈরি প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। আগামী মাসে পরীক্ষামূলক ফ্লাইট চালু হবে।



