ইলন মাস্কের এআই স্টার্টআপ এক্সএআই সম্প্রতি তাঁদের গ্রোক ২.৫ এআই মডেলটিকে ওপেন-সোর্স করে দিয়েছে। গতকাল শনিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ পোস্ট করে মাস্ক নিজেই বিষয়টি জানিয়েছেন। পাশাপাশি আগামী মোটামুটি ছয় মাসের মধ্যে গ্রোক ৩ মডেলটিকেও ওপেন-সোর্স (উন্মুক্ত উৎস) করার পরিকল্পনারও উল্লেখ রয়েছে তাঁর পোস্টে।
গ্রোক ২.৫ এআই মডেলটিকে ওপেন-সোর্স করার অর্থ হচ্ছে, মডেলটির মূল উপাদানগুলোকে সকলের জন্য উন্মুক্ত করেছে এক্সএআই। এর ফলে কেউ চাইলে মডেলটিকে এখন নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করে নিতে পারে।
অর্থাৎ, মডেলটির মূল কোড এখন ওপেন বা উন্মুক্ত- যেখানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে গবেষণাসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে একে ব্যবহার করা সম্ভব। এক কথায়, একজন ডেভেলপার চাইলে গ্রোক ২.৫ মডেলটির মূল উপাদান বা কোডকে প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টমাইজ করে ব্যবহার করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, গত বছর আগস্টে গ্রোক ২ এআই মডেলটি রিলিজ করে এক্সএআই। এর ছয় মাস পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তাঁরা গ্রোক ৩ নিয়ে আসে। তবে এক্সএআই’র সাম্প্রতিকতম দুটি এআই মডেল হচ্ছে গ্রোক ৪ ও গ্রোক ৪ হেভি- যেগুলো গত মাসে (৯ জুলাই) উন্মুক্ত করেছে এআই স্টার্টআপটি।
২০২৩ সালের নভেম্বরে যাত্রা শুরু করা গ্রোক চ্যাটবটটি জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তির জগতে ইতোমধ্যেই বেশ আলোড়ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে ফিল্টারবিহীন কনটেন্ট তৈরি করে আলোচিত ও সমালোচিত দুই-ই হয়েছে গ্রোক। এই যেমন সম্প্রতি হিটলারের প্রশংসা করে সমালোচিত হয়েছে গ্রোক।
গত সপ্তাহে গ্রোক চ্যাটবটের সাথে ব্যবহারকারীদের লাখ লাখ কথোপকথন প্রকাশ করেছে এক্সএআই। সেখানে দেখা গেছে, বোমা ও ফেনটালিন (ড্রাগ) তৈরি থেকে শুরু করে হত্যার পরিকল্পনার মতো সংবেদনশীল সব বিষয়ে ব্যবহারকারীদের সাথে আলোচনা করেছে বটটি। শুধু তাই নয়, তারকা ও পরিচিত ব্যক্তিত্বদের অশ্লীল ছবি জেনারেট করেও সমালোচনার শিকার হয়েছে ইলন মাস্কের গ্রোক।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স



