নতুন নামে যাত্রা শুরু করল দেশের অন্যতম মোবাইল অপারেটর ব্র্যান্ড এয়ারটেল। তবে ব্র্যান্ডের নাম পরিবর্তন হলেও গ্রাহকদের নম্বর, সেবা, প্যাকেজ, ব্যালান্স বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্টে কোনো পরিবর্তন হবে না। ১৭ আগস্ট ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক অনুষ্ঠানে নতুন ব্র্যান্ড ‘সার্কেল’ উন্মোচন করে রবি আজিয়াটা।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, গত ১৬ বছরে এয়ারটেল দেশের তরুণদের জীবনধারা, আগ্রহ ও আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছে। সেই অভিজ্ঞতা ও আস্থার ভিত্তিতেই ‘সার্কেল’ যাত্রা শুরু করছে। এয়ারটেলের সব গ্রাহক স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কেলের গ্রাহকে পরিণত হবেন। তাদের বিদ্যমান ০১৬ নম্বর, চালু প্যাকেজ, ব্যালান্স ও অন্যান্য সেবা আগের মতোই সচল থাকবে।
রবি বলছে, পরিবর্তিত ডিজিটাল বাস্তবতা এবং মানুষের ক্রমবর্ধমান সংযুক্ত জীবনধারার কথা বিবেচনায় রেখে নতুন ব্র্যান্ডটি তৈরি করা হয়েছে। এয়ারটেলের তারুণ্যকেন্দ্রিক পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে আরও উন্নত ডিজিটাল সক্ষমতা, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং ভবিষ্যতমুখী উদ্যোগ।
নতুন ব্র্যান্ডের মূল ভাবনা, বাস্তব সংযোগই আমাদের আত্মপরিচয় গড়ে তোলে। সেই সাথে আমাদের সত্যিকারের আপনজনদের খুঁজে পেতে সহায়তা করে। মানুষকে তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, কমিউনিটি ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত রেখে অর্থবহ সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়তা করাই সার্কেলের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে রবি আজিয়াটা পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা বলেন, ‘১৬ বছর ধরে এয়ারটেল বাংলাদেশের তরুণদের সঙ্গে বেড়ে উঠেছে। সার্কেল সেই যাত্রারই পরবর্তী ধাপ। ব্র্যান্ডের নাম বদলালেও আমাদের মূল প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত থাকবে। এখন শুধু আরও বেশি মানুষকে যুক্ত করাই নয়, বরং সেই সংযোগকে আরও অর্থবহ করে তোলাই গুরুত্বপূর্ণ।’
সার্কেলের ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি হচ্ছে, ‘আসল সংযোগ, সবসময় সচল’। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, বিনোদন, গেমিং, কনটেন্ট তৈরি এবং তরুণদের ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নির্ভরযোগ্য সংযোগ ও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাই হবে ব্র্যান্ডটির অন্যতম লক্ষ্য।
এ ছাড়া ব্র্যান্ড পরিবর্তনের পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে গ্রাহকেরা নিরবচ্ছিন্ন সেবা পাবেন বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ওয়ালেট, লেনদেন এবং গ্রাহক তথ্য নিরাপদ ও পূর্ণাঙ্গভাবে সচল থাকবে।
রবি আজিয়াটার মতে, ‘সার্কেল’ বাংলাদেশের ডিজিটাল প্রজন্মের পরিবর্তিত চাহিদা পূরণে নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে এবং তরুণদের তাদের নিজস্ব কমিউনিটি ও আগ্রহের পরিসরের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হতে সহায়তা করবে।



