তামিম ইকবালের ‘দুঃস্বপ্ন’ বলে বিশেষ পরিচিতি আছে তাঁর। যখনই দুজন মুখোমুখি হয়েছেন, ব্যক্তিগত লড়াইয়ে শেষ হাসিটা হেসেছেন ফজলহক ফারুকিই। তাই তামিম যখন বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পেলেন না, তামিমের পাশাপাশি হাসিঠাট্টা করা হয়েছে ফারুকিকে নিয়েও। ওই যে, তামিম খেললে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান লড়াইয়ে একটা উইকেট অন্তত বরাদ্দ থাকত তাঁর নামে, এবার তাহলে সেটাও হবে না – যেন এক তামিমকে ছাড়া কাউকে আউট করার সামর্থ্যই নেই এই বাঁহাতি পেসারের!
টুর্নামেন্ট যতই এগোচ্ছিল, সমর্থকদের মশকরাই একটু একটু করে বাস্তবে রূপ নিচ্ছিল যেন। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফজলহক ফারুকির দেখা পাচ্ছিল না বিশ্বকাপ। এমনকি দলগত রসায়ন ও পিচের বাহানায় পাকিস্তানের বিপক্ষে তাঁকে একাদশেই জায়গা দেওয়া হয়নি। ফারুকি কি তাহলে আফগান একাদশের অবিচ্ছেদ্য অংশ নন আর? প্রশ্ন ছিলই।
পরের ম্যাচেই সব প্রশ্ন থামিয়ে দিয়েছেন এই পেসার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একাদশে ফিরেই আগুনে বোলিংয়ে স্তব্ধ করেছেন করুনারত্নে-আসালাঙ্কাদের। পুনের পিচে রানবন্যা হয়, এমনকি ম্যাচের আগে সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চও বলেছিলেন, ব্যাটসম্যানদের জন্য স্বপ্নের পিচ পুনে। সেই স্বপ্নের পিচেই ১০ ওভার বল করে মাত্র ৩৪ দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে লঙ্কানদের দুঃস্বপ্ন উপহার দিয়েছেন ফারুকি।
ম্যাচ জয়ের ভিত তো সেখানেই গড়ে তুলেছিল আফগানিস্তান!



