২০১৯ সালে শুরু। চার বছরে খেলেছেন মাত্র চারটি টেস্ট। এতেই যেন হাঁপিয়ে উঠেছেন হেনরিখ ক্লাসেন। মাত্র ৩২ বছর বয়সেই টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন এ প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। সাদা জার্সিকে বিদায় জানালেও দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি চালিয়ে যাবেন তিনি।
আগে থেকে ঘোষণা দিয়ে ভারতের সঙ্গে বিদায়ী টেস্ট খেলেছেন ডিন এলগার। ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দলে ছিলেন না ক্লাসেন। উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় ছিলেন কাইল ভেরেইন। টেস্ট কোচ শুকরি অবশ্য জানিয়েছিলেন, ক্লাসেন এখনো তাঁর পরিকল্পনার অংশ।
কিন্তু আজ এক বিবৃতিতে ক্লাসেন বলেছেন, ‘জানি না এটা সঠিক সিদ্ধান্ত কি না, এটা ভেবে কয়েকটি নির্ঘুম রাত কাটানোর পর আমি লাল বলের ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি খুবই কঠিন সিদ্ধান্ত। কারণ অন্য সংস্করণগুলোর চেয়ে টেস্ট আমার সবচেয়ে পছন্দের।’
ক্লাসেন যতই টেস্টকে পছন্দের সংস্করণ বলুন না কেন, পরিসংখ্যান তাঁর পক্ষে কথা বলছে না। ২০১৯ সালে ভারতের বিপক্ষে রাঁচিতে অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসে মাত্র ১১ রান করেছিলেন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান।
তিন বছরেরও বেশি সময় বিরতি দিয়ে ২০২৩ সালের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রত্যাবর্তনটাও রাঙাতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পরের দুই টেস্টেও করেছেন মোটে ৬৬ রান।
সব মিলে চার টেস্টে ১৩ গড়ে ১০৪ রান করেছেন ক্লাসেন। ফর্ম ফিরে পেতে প্রতিনিয়ত নিজের সঙ্গে লড়াই করে গেছেন। তাতে টেস্টে সফলতা না পেলেও ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছেন।
সেটি উঠে এলো ক্লাসেনের কথাতেও, ‘মাঠে ও মাঠের বাইরে যে লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছি আমি, সেটাই আমাকে আজকের পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। এই পথচলাটা দারুণ এবং দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি আনন্দিত।’
টেস্টের মর্যাদা বোঝাতে ক্লাসেন বলেছেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত যেসব পেয়েছি, তার মধ্যে ব্যাগি টেস্ট ক্যাপই সবচেয়ে মূল্যবান।’



