বাংলাদেশের টেস্ট ব্যাটিং যেন মাছ বিতর্ক

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:২১ এএম

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে ১৯২ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। হারের পর কারণ খুঁজতে গিয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, ‘(দ্বিতীয় ইনিংসে) সবাই সেট হয়েছে, কিন্তু বড় স্কোর পায়নি। এটা এমন কিছু যা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। সেট হলে আপনাকে বড় রান করতে হবে।’ 

অধিনায়ক একটি নিদানও পেয়েছেন। টেস্টে ভালো করতে হলে ‘আমাদের আরও বেশি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতে হবে।’ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার পরামর্শ খারাপ কিছু না। এই তো, গতির ঝড়ে আইপিএল কাঁপিয়ে দেওয়া মায়াঙ্ক যাদবের আরও উন্নতির জন্য তাঁকে কাউন্টি খেলার পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক মাইকেল ভন।
 
কিন্তু এই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার পরামর্শেও কিছু ফাঁক থাকে। সাবেক অধিনায়ক ও দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সাকিব আল হাসান সর্বশেষ কবে প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন, সেটা হয়তো তিনিও মনে করতে পারবেন না। ৬৭টি টেস্ট খেলা সাকিব ক্যারিয়ারে প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন মাত্র ৩৬টি!

মুশফিকুর রহিমের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ৮৮ ও ৫০। তামিম ইকবালের ক্ষেত্রে ৭০ ও ৩৪! অর্থাৎ টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ তিন রান সংগ্রাহক প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খুব একটা মনোযোগ দিতে পারেননি, তবু তাঁরা টেস্টে দেশসেরা। 

প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে নিয়মিত না হয়েও জাতীয় দলে সফল সাকিব-মুশফিক। ছবি: এক্স
এর একটা ব্যাখ্যা গত পরশুই দিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের সেরা জয় এনে দেওয়া এই অধিনায়ক সংবাদ সম্মেলন করতে এসে বলেছেন, নিয়মিত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেও নাকি লাভ হবে না, ‘শুনতেও খারাপ লাগতে পারে… আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের খেলা এবং আন্তর্জাতিকের খেলা অনেক ভিন্ন, ভাই। আকাশ পাতাল তফাত, ভাই।’

তাহলে টেস্টে ভালো করার উপায় কী বাংলাদেশের? 

বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির ২৪ বছর পূর্তির আর মাত্র কদিন বাকি। এই সময়ে ১৪২টি ম্যাচ খেলে মাত্র ১৯ জয় বাংলাদেশের। যার অধিকাংশ জিম্বাবুয়ে ও ক্ষীণশক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। এই জয়গুলো হিসেবে নিলেও টেস্ট স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত দেশগুলোর মধ্যে পরাজয়ের হারে (৭৩.২৩%) বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে শুধু আয়ারল্যান্ড। আর জয়ের হারে বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে শুধু আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে। তবে এই দুই পরিসংখ্যানেও ‘কিন্তু’ আছে।   

আয়ারল্যান্ড পরাজয়ের হারে গাণিতিকভাবে পিছিয়ে থাকলেও দেশটি টেস্ট খেলেছে মাত্র ৮টি। আর জয়ের হারে বাংলাদেশ (১৩.৩৮%) জিম্বাবুয়ের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও মনে রাখা ভালো, জিম্বাবুয়ের তাদের সোনালি প্রজন্মকে মুগাবের সরকারের কারণে হারিয়ে ফেলেছে। তার আগপর্যন্ত জিম্বাবুয়ের পরিসংখ্যান বাংলাদেশের নাগালের অনেক বাইরে ছিল।

দু-একটি ঘটনা বাদে (গল টেস্ট, মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট) প্রায় সিকি শতাব্দী পেরিয়েও এখনো বাংলাদেশের খেলা দেখলে মনে হয় না, তারা টেস্ট খেলাটা আয়ত্তে আনার ধারেকাছে আছে। এবং এর পেছনের কারণটাও স্পষ্ট - বাংলাদেশ টেস্ট ব্যাটিং কী, এখনো বুঝে উঠতে পারেনি। 

বাংলাদেশ কেন ভালো করছে না, এই প্রশ্নের উত্তরে মুমিনুল হক গত পরশু নিবেদনের কোনো ঘাটতি দেখেননি, ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা না খেলার কোনো প্রভাব দেখেননি, দেখেননি দীর্ঘ বিরতির প্রভাবও। তাঁর চোখেও সমস্যাটা শান্ত যা বলেছেন তা-ই, সেট হয়েও ইনিংস বড় করতে না পারা। 

চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে অপ্রিয় সত্য কথা বলেছেন মুমিনুল হক। ছবি: এক্স
সেটা অবশ্য বাংলাদেশের পরিসংখ্যানই বলে দেয়। টেস্টে বাংলাদেশের সেরা চার ব্যাটসম্যানের (মুশফিক, তামিম, সাকিব, মুমিনুল) গড়ই আশ্চর্যজনকভাবে কাছাকাছি - ৩৮ থেকে ৩৯ গড়ের মধ্যেই রান করেছেন সবাই। আর যদি সময়সীমাটা একটু কমিয়ে আনা হয় - ২০১০ থেকে তার পরবর্তী সময়ে হিসেব করলে মুমিনুল বাদে বাকি তিনজনের গড় বেড়ে ৪১ পার হয়। বিশ্বসেরাদের কাতারে ওঠার মতো না হলেও কোনো হিসেবেই তা মন্দ নয়।

সেটা আরেকটি দিক থেকেও স্পষ্ট। সাকিব ও তামিম টেস্টে প্রায় ৩০ শতাংশ ইনিংসেই একবার পঞ্চাশ পার করেন। মুশফিক (২২%) এক্ষেত্রে একটু পিছিয়ে থাকলেও, হাবিবুল বাশার, লিটন দাস বা মুমিনুলও প্রতি চার ইনিংসে অন্তত একটা ফিফটি পান বা পেতেন।
২০১০ এর পর হিসেব কষলে সাকিব-তামিম তো এক্ষেত্রে (প্রায় ৩৪%) বিরাট কোহলি, অ্যালিস্টার কুক, কেভিন পিটারসেন, ডেভিড ওয়ার্নার বা হাশিম আমলার চেয়েও এগিয়ে। 

কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ ব্যাটসম্যান ব্যর্থ যখন তাঁদের টেস্টের আসল পরীক্ষাটা দিতে হয় - সেট হয়ে ইনিংস বড় করা। ফিফটির দিক থেকে কোহলিদের টেক্কা দেওয়া ক্রিকেটাররাই তখন বড্ড গড়পড়তা বনে যান। 

তুলনা টানতে চাইলে… কোহলি ১৫% ইনিংসে একটা সেঞ্চুরি পান। স্টিভ স্মিথ পান ১৬.৪১ ভাগ ইনিংসে। কেইন উইলিয়ামসন তো ১১ ইনিংসে ২টি সেঞ্চুরির নিচে তুষ্টই হন না। 

তামিম-মুশফিকের তা যথাক্রমে ৭ ও ৬ শতাংশ। সাকিব ও লিটনের ক্ষেত্রে তো রীতিমতো ৪ শতাংশে নেমে আসে। অর্থাৎ, কোনো টেস্টে সাকিব বা লিটনকে সেঞ্চুরি করতে দেখলে পরের ২৪ ইনিংসে তাঁদের কাছে অমন ইনিংস আর আশা না করাই ভালো। মুমিনুল হক এক্ষেত্রে একটু ভিন্ন। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিয়ানের ১০.৫২% ইনিংসে একটি সেঞ্চুরি থাকে।

টেস্টে সফল তামিম ইকবাল অবসর না নিয়েও নেই জাতীয় দলে। ছবি: এক্স
তবে যদি জিম্বাবুয়েকে হিসেব থেকে বাদ দেওয়া হয়, তাহলে মুমিনুলের সেঞ্চুরির হারটা ৯%-এ নেমে আসে। তামিমের খুব একটা পরিবর্তন না হলেও মুশফিকের তখন সেঞ্চুরির হার সাড়ে ৪ শতাংশে চলে যায়। সাকিবের ক্ষেত্রে সাড়ে তিন শতাংশের একটু বেশি। গত ১৪ বছরে টেস্টে অন্তত তিন হাজার রান করা ব্যাটসম্যানদের ক্ষেত্রে সাকিবের চেয়ে পিছিয়ে আছেন শুধু একজন - রবিচন্দ্রন অশ্বিন। অর্থাৎ, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে হারের পেছনে শান্ত বা মুমিনুল যে কারণ দেখেছেন, সেটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বছরের পর পর যুগের পর যুগ ধরেই বাংলাদেশের ক্রিকেটে চলে আসছে।

এত সব পরিসংখ্যান, তা-ও আবার সব মন খারাপ আর হতাশামাখা সংখ্যা দেখে ক্লান্তি আসতে পারে। চলুন কিছুক্ষণ একটু অন্য প্রসঙ্গে যাওয়া যাক। নিশ্চিন্ত থাকুন, বেশ কৌতূহলোদ্দীপক প্রসঙ্গ।

পুরো জীবন মাছের গবেষণায় ব্যয় করেছেন জীব বিজ্ঞানী স্টিফেন গোল্ড। দীর্ঘ গবেষণা শেষে জীবনের সায়াহ্নে এসে মার্কিন বিজ্ঞানী একটি কথাই জানিয়েছেন, মাছ বলে আসলে কিছুই নেই। এর পেছনে তাঁর যুক্তি ছিল, সাগর ও স্বাদু পানিতে প্রচুর প্রাণী আছে, এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু এসব প্রাণীর অধিকাংশেরই একে অপরের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।

বাদুড় বা পতঙ্গ উড়তে পারে, তাই বলে তাদের কিন্তু পাখি বলে ডাকা হয় না। অথচ শুধু পানিতে থাকে বলেই এই জলজপ্রাণীদের মাছ বলে ডাকা হয়। অথচ স্বয়ং অ্যারিস্টটল খ্রিস্টের জন্মের বহু আগেই তিমি ও ডলফিনকে মাছ প্রজাতি থেকে আলাদা করে স্তন্যপায়ীদের গোত্রে ফেলেছেন। 

জেনেটিক বিবেচনা করলে একটি স্যামন মাছ আর একটি হ্যাগ ফিশ যতটা কাছাকাছি, তার চেয়েও স্যামনের মিল একটি উটের সঙ্গে। লবস্টার ও আরশোলা যেমন প্রায় একই গোত্রের প্রাণী। পার্থক্য বলতে শুধু একটি স্থলে, আর অন্যটি জলে থাকে।

এই বিবেচনা থেকে গোল্ড দাবি করেছিলেন, মাছ বলে আসলে কিছু নেই। আছে জলজ প্রাণী যারা বিবর্তনের বিভিন্ন ধাপ সয়ে পানিতেই রয়ে গেছে। অনেক জীববিজ্ঞানীই গোল্ডের চিন্তার দিকে সায় দিয়েছেন, দিচ্ছেন। 

শচীন টেন্ডুলকার, লারা, কোহলিরা ক্ষণজন্মা। তাঁদের সঙ্গে তুলনা টানা অন্যায়। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেট তো আমাদের এটাও দেখিয়ে দেয় যে, শুধু ইচ্ছা আর পরিশ্রমে এই ক্ষণজন্মাদেরও ম্লান করে দেওয়া যায়। টেন্ডুলকার-লারাদের সেরা সময়ে তাই র‍্যাঙ্কিং শীর্ষে ওঠেন অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার। ব্যাটিং টেকনিক দিয়ে নাক কুঁচকে দেওয়া স্টিভ স্মিথ-মারনাশ লাবুশেনরা রেটিংয়ে স্যার ডন ব্র্যাডম্যানকে হুমকিতে ফেলেন। স্টাইলিশ ব্যাটসম্যানদের আড়ালে থাকলেও প্রয়োজনে চেতেশ্বর পূজারা ও ধনঞ্জয়া ডি সিলভায় আশার ভার ফেলে তাঁদের দল। 

ওদিকে টেস্টের শেষ বিকেলে ড্র করতে মাত্র কয়েক ওভার কাটাতে হবে জেনেও অধিনায়ক সাকিবকে এলোপাথাড়ি ব্যাট করতে দেখা যায় (আফগানিস্তানের বিপক্ষে, ২০১৯)। ৩৭ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ার পরও প্রথম বলেই তেড়েফুঁড়ে খেলতে যান লিটন। তাঁর একটু আগেই শেষ বিকেলের পড়ে আসা আলোয় উচ্চাভিলাসী শট খেলে দলের বিপদ ডেকে আনেন অধিনায়ক শান্ত।

পূর্ণ মেয়াদে অধিনায়কত্ব পেয়েই টেস্টে ব্যর্থ শান্ত। ফাইল ছবি
এদিক থেকে বাংলাদেশের টেস্ট ব্যাটিংটাও যেন ওই মাছ-বিতর্কের মতো বিভ্রান্তিকর কিছু। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরাও টেস্ট খেলতে নামেন, কোহলি-স্মিথ-উইলিয়ামসদের মতোই সাদা পোশাকেই ব্যাট করেন। ছোটবেলার শেখানো বুলি মেনে স্ট্রাইকরেটটা টেস্টসুলভ অর্থাৎ ৫০ এর আশপাশেই রাখেন। কিন্তু এক পর্যায়ে তাঁদের ব্যাটিং আপনাকে টেস্ট দেখছেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করবে।

গোল্ড পুরো জীবন গবেষণা করে জেনেছিলেন মাছ বলে কিছু নেই। আমাদের অতটা অপেক্ষা না করাই ভালো। ২৪ বছর হয়ে গেছে, এখন স্বীকার করে নেওয়াই ভালো; টেস্ট ব্যাটিং ব্যাপারটা আসলে বাংলাদেশের জন্য না।

৫১ ছক্কা ও ৫৩৭ রানের ম্যাচে অবিশ্বাস্য যত রেকর্ড
টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড বন্যার এক ম্যাচ দেখা গেল মেজর লিগ ক্রিকেটের (এমএলসি) এলিমিনেটরে। এমআই নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটন ফ্রিডমের ম্যাচটি জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। এক ম্যাচেই দেখা মিলেছে একাধিক...
হতশ্রী ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাত্র ১৪১ রান তাড়া করতে পারেনি বাংলাদেশ। হারারেতে প্রথম ওডিআইতে ২৫ রানে হার। সাত ব্যাটার আউট এক অঙ্কে, তাতে গুটিয়েছে ১১৬ রানে। এর আগে নাহিদ রানার বোলিং তোপে...
হঠাৎ করে উত্তাল বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গন। বিসিবিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে আইসিসির কাছে কড়া ভাষায় ই-মেইল করেছেন সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এরপর সেটা অস্বীকারও করেছেন তিনি। তবে...
মান বাঁচানোর ম্যাচে এলোমেলো ব্যাটিংয়ে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ব্যাটারদের আসা-যাওয়া ও ৬৪ ডট বল খেলা বাংলাদেশ কোনোরকমে ১০৯ রানের সংগ্রহ পায়। ছোট লক্ষ্য পেয়ে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে মাত্র ১১ ওভারেই ৭...
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে আন্তর্জাতিক মানের ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী...
সংবাদ সম্মেলনে মেজর ফারহান মাহমুদ মোক্তাদা জানান, চক্রটি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নাম-ছবি ব্যবহার করে অবৈধ সুবিধা আদায়ের অপচেষ্টা চালাচ্ছিল। গ্রেপ্তারকৃতের কাছ থেকে ১টি মাইক্রোবাস, ৭টি মোবাইল...
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করে হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করার অন্যতম কুশিলব মেজর মোজাফফর। এরপর চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় গোপনে দাফনের মূল পরিকল্পনাও তার;...
রাজধানীর ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দ্রুতগামী অজ্ঞাত এক গাড়ির ধাক্কায় সেকান্দার আলী নামে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর