মেঘলা আবহাওয়া, উইকেটে হালকা আর্দ্রতা আছে। চিপকের বিখ্যাত স্পিন বান্ধব উইকেটেও তাই ফিল্ডিং বেছে নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। অধিনায়কের সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করে প্রথম ঘণ্টাতেই ভারতের তিন উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।
ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত দুই উইকেট রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। ভারতের কন্ডিশনে শুবমান গিলও এখন প্রতিপক্ষের বড় চিন্তা। অধিনায়ক শান্তর সব চিন্তা দূর করার কাজটা ‘ডান’ হাসান মাহমুদের। সিম মুভমেন্ট আর বাড়তি বাউন্সে ভারতের টপ অর্ডার গুড়িয়ে দিয়েছেন এই পেসার একাই।
নিজের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট পেতে পারতেন হাসান। গুড লেংথে পিচ করে বল বাড়তি বাউন্স নিয়ে আঘাত হানে রোহিত শর্মার প্যাডে। জোরালো আবেদনেও সাড়া দিলেন না আম্পায়ার। বাংলাদেশ রিভিউ নিলে দেখা যায়, আম্পায়ার আউট দিলে সেটা ফেরাতে পারতেন না রোহিত। ১ রানে জীবন পান রোহিত।
ওভারের শেষ বলে ম্যাচের প্রথম চার মেরে হাসানের ক্ষতে বাড়তি জ্বলুনির ব্যবস্থা করলেন ভারত অধিনায়ক। নিজের পরের বলেই প্রতিশোধ হাসানের।
অ্যাঙ্গেল থেকে বল বল ঢুকছিল, ব্যাট পাততেই হতো রোহিতকে। এবং শেষ মুহূর্তে ‘ওবল’ সিম ব্যাটের স্পর্শ নিয়ে চলে গেল দ্বিতীয় স্লিপে। শান্ত কোনো ভুল করেননি । ১৪ রানে প্রথম উইকেট হারাল ভারত।
পরের উইকেটটি অবশ্য উপহার। সপ্তম ওভারের তৃতীয় বলটি লেগ স্টাম্পের অনেক বাইরে দিয়ে যাচ্ছিল। প্রথম সাত বলে কোনো রান করতে না পারা গিল লোভ সামলাতে পারলেন না। ফাইন লেগ দিয়ে চার মারতে গিয়ে লিটন দাসের ক্যাচ হয়ে বিদায় গিলের। ২৮ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতন স্বাগতিক দলের।
ভারত মূল ধাক্কা খেয়েছে হাসানের পরের ওভারে। ড্রাইভ করতে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু ওভারের প্রথম বলের চেয়ে আরেকটু সামনে বল পিচ করেছিলেন হাসান। একটু দূর থেকে ড্রাইভ করতে গিয়ে লিটনের দ্বিতীয় ক্যাচে পরিণত হলেন সাবেক অধিনায়ক। ৬ রান করে দলকে ৩৪ রানে রেখে বিদায় তাঁর।
প্রথম ৫ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট হাসানের। ১০ ওভার শেষে ৩ উইকেটে মাত্র ৩৪ রান নিয়ে কাঁপছে ভারত।



