মাঠের খেলায় বাংলাদেশ হতাশার পর হতাশা উপহার দিচ্ছে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে কোনো ম্যাচ না জিতেই ফিরেছেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। বিসিবি তবু ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাড়ছে ম্যাচ ফিও। এদিকে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ জানিয়েছে, সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের চার মাসের বেতন এখনো বকেয়া রয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয় দলে সাকিব এখন অতীত। সর্বশেষ ভারত সফরে দলে থাকা সাকিব ঘরের মাঠে সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট দিয়ে দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে অবসর নিতে চেয়েছিলেন। আর এটাও বলেছিলেন, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিই হবে ওয়ানডেতে তাঁর শেষ।
ছাত্র আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের এমপি ছিলেন বলে সাকিবের কোনো ইচ্ছাই পূরণ হয়নি। টেস্ট খেলতে দেশেই আসতে পারেননি। আর চ্যাম্পিয়নস ট্রফি পাকিস্তানে হলেও দলে ডাক পাননি তিনি। তবে ২০২৪ পর্যন্ত বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ঠিকই ছিলেন সাকিব। এবং সে অনুযায়ী সে সময়ের বেতনও তাঁর প্রাপ্য।
ক্রিকবাজকে বিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাকিবের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়ার কারণেই বেতন দিতে পারছেন না তারা, ‘এটা সত্যি যে সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বরের বেতন পায়নি সাকিব। এর মূল কারণ ওর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।’
চুক্তি অনুযায়ী চার মাসের জন্য ৪৮ লাখ টাকা পাওনা সাকিবের। ২০২৪ এর ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত চুক্তি অনুযায়ী তিন ফরম্যাটের চুক্তিতেই ছিলেন সাকিব।
গত আগস্টে সরকার পতনের পর সাকিবের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও হয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তার না করার নিশ্চয়তা চেয়েছিলেন সাকিব। বিসিবি তাঁকে সে নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকায় বাংলাদেশের জন্য রণা হয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত পর্যন্ত এসেও ফিরে যেতে হয় তাঁকে।
এরপর গত ৬ নভেম্বর তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের নির্দেশনা আসে।
তবে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনের প্রধান নাজমুল আবেদীন জানিয়েছেন, পাওনা নিয়ে চিন্তা না করলেও চলবে সাকিবের, ‘চুক্তি অনুযায়ী সে তার বেতন পাবে। কারণ খেলুক আর না খেলুক একটা চুক্তি করা হয়েছে এবং আমরা সে চুক্তি অনুযায়ী আমাদের কমিটমেন্ট পূরণ করার চেষ্টা করব।’



