১০০ বলের খেলা। ৫ বলে ওভার। ইংল্যান্ডে চলমান দ্য হানড্রেডে নিজের প্রথম দুই ম্যাচে দুর্দান্ত ছিলেন রশিদ খান। লন্ডন স্পিরিটের বিপক্ষে ১১ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার পর ম্যানচেস্টার অরিজিনালসের বিপক্ষেও ৩ উইকেট (১৯ রানে) নিয়েছিলেন ওভাল ইনভিন্সিবলের আফগান স্পিনার।
তবে গতকাল মঙ্গলবার বার্মিংহাম ফোনিক্সের বিপক্ষে যেন বোলিংটাই ভুলে গেলেন রশিদ। উইকেট তো পাননি, উল্টো বেধড়ক পিটুনি খেয়েছেন। ২০ বল করে হজম করেছেন ১০টি বাউন্ডারি। ৪ চার ও ৬ ছক্কাসহ ৫৯ রান দিয়েছেন। যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে বোলিংয়ের রেকর্ড। এমনকি টি-টোয়েন্টিতে ১০ বছরের ক্যারিয়ারেও এমন বাজে দিন কখনো কাটাননি ২৬ বছর বয়সী এ স্পিনার।
রশিদের ভুলে যাওয়ার মতো দিনে তাঁর দল ইনভিন্সিবলও ম্যাচটা হেরেছে। আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ১০০ বলে ৮ উইকেটে ১৮০ রান তুলেছিল ইনভিন্সিবল। জবাবে লিয়াম লিভিংস্টোনের ২৯ বলে ৬৩ রানের ঝড়ে ইনিংসের ২ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় ফোনিক্স।
তাণ্ডব চালানোর পথে লিভিংস্টোন রশিদের এক ওভারের টানা পাঁচ বলে ৩ ছক্কা ও ২ চারে নিয়েছেন ২৬ রান। ইনিংসের ৭৬ থেকে ৮০ বলের সময়টায় রশিদের ওপর এ ঝড় চালান ইংলিশ তারকা। ওভারের প্রথম বলে স্লগ সুইপে চার মারেন লিভিংস্টোন। এরপর টানা তিন ছক্কা মারার পর ওভারের শেষ বলে আবার চার মারেন তিনি।
ওই ওভারে একের পর এক স্লগ সুইপে বল সীমানাছাড়া করছিলেন লিভিংস্টোন। রশিদ খান কী করবেন, যেন কিছুই ভেবে পাচ্ছিলেন না!
আর টি-টোয়েন্টিতে যে রশিদের বলে ১৫০ রান নিতে পারেননি কোনো ব্যাটসম্যান, সেখানে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে আফগান স্পিনারের বলে ২০০ রান নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন লিভিংস্টোন।
গতকালের আগে দ্য হানড্রেডে সবচেয়ে বাজে বোলিংয়ের রেকর্ড ছিল ডাভিড ভিসের। ৪ ওভারের স্পেলে ১ উইকেট পেলেও ৫৩ রান দিয়েছিলেন সাউথ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার জার্সিতে খেলা এ পেসার। গতকাল বিনা উইকেটে ৫৯ রান দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে নাম উঠে গেল রশিদের।



