সিলেট টেস্টে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ যে বড় লিড পেতে যাচ্ছে, সকালের সেশনে দেখেই সেটা অনুমান করা গিয়েছিল। মধ্যাহ্নভোজের পর নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি (১১৪ বলে ১০০) ও লিটন দাসের ফিফটি (৬৬ বলে ৬০) সে অনুমানকে পাকাপোক্ত করেছে।
শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পর দিনের শেষ সেশনে ২০ মিনিটের মতো ব্যাটিং করে প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। ততক্ষণে স্কোরবোর্ডে উঠে গেছে ৮ উইকেটে ৫৮৭ রান। প্রথম ইনিংসে আয়ারল্যান্ডের ২৮৬ রানের বিপরীতে বাংলাদেশের লিড ৩০১ রানের। টেস্ট ইতিহাসে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের লিড।
আর এগিয়ে থাকার হিসেবে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের লিড ৩৯৭ রানের। ২০১৮ সালে মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেই কীর্তি গড়েছিল বাংলাদেশ। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের আরও একটা অধ্যায়ে নাম তুলেছে সিলেট টেস্ট। লাল বলে এটিই বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।
অথচ আজ সকালটা মোটেও ভালো শুরু হয়নি বাংলাদেশের। দিনের প্রথম ১৯ বলের মধ্যেই বিদায় নিয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয় (১৭১) ও মুমিনুল হক (৮২)। ৯৯তম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিকও ২৩ রানের বেশি করতে পারেননি।
এরপর দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে ওয়ানডে গতিতে রান তুলতে থাকেন টেস্ট অধিনায়ক। দুজনের পঞ্চম উইকেট জুটিতে ১০৭ বলে ৯৮ রান পায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে পেরিয়ে যায় দলীয় ৫০০ রানও।
দলকে ৫২৩ রানে রেখে বিদায় নেন ৬৬ বলে ৬০ রান করা লিটন। সঙ্গী ফিফটি করে বিদায় নিলেও ঠিকই সেঞ্চুরি আদায় করেছেন শান্ত। ১১২ বলে ১৪ চারে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তবে সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি শান্ত। পরের দুই বলের মধ্যেই আউট হয়েছেন।
সাতে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ তেমন কিছু করতে পারেননি। চা বিরতির আগে হাম্পসফ্রেকে ক্যাচ দেওয়ার আগে মোটে ১৭ রান করেছেন। চা বিরতির হাসান মুরাদের (১৩) উইকেটটাও হারিয়েছে বাংলাদেশ।
শেষ দিকে হাসান মাহমুদ (১৩*) ও নাহিদ রানা (৪*) উইকেটে সাবলীল থাকলেও লিড তিন শ ছাড়তেই ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করেন শান্ত।



