সিরিজের শেষ ম্যাচ, সিরিজনির্ধারণী ম্যাচও। তাতে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নামার পর এখন পর্যন্ত শুধু রান, ওভার আর উইকেটের সংখ্যায় বাংলাদেশের ইনিংসকে খারাপ বলার কোনো উপায় নেই। ৩৫ ওভারে বাংলাদেশের রান ২ উইকেটে ১৮৫।
ইনিংসে এখন পর্যন্ত বলার মতো উপাদানও কম নয়! ওপেনার তানজিদ তামিম আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারেরই প্রথম সেঞ্চুরি পেয়ে গেছেন। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতেও ৬৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলা তামিম এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে ১০৩ বলে ১০৫ রানে ব্যাট করছেন। তাঁর ৬ চার ৭ ছক্কায় সাজানো ইনিংসটিতে সেঞ্চুরি এসেছে ৯৮ বলে।
দুই ওপেনার সাইফ হাসান (৫৫ বলে ৩৬) ও তামিম মিলে উদ্বোধনী জুটিতেই এনে দিয়েছিলেন ১০৫ রান, সেটাও ১৮.১ ওভারে। এই জুটির মাহাত্ম্য আরও বাড়বে, যখন বাড়তি তথ্য যুক্ত হবে যে, ওয়ানডেতে এর আগের ১৬ ইনিংসে উদ্বোধনী জুটিতে ৫০-ই বাংলাদেশ দেখেছে মাত্র একবার!
সাইফের পর নাজমুল হোসেন শান্ত (৩৪ বলে ২৭) ইনিংসে শুরু পেলেও সেটাকে বড় করতে পারেননি। চারে নামা লিটন দাস শুরুতে একটা ক্যাচ দিয়ে বেঁচে গেলেও এই মুহূর্তে ব্যাট করছেন ১৮ বলে ৮ রান নিয়ে।
কিন্তু এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংসে অস্বস্তি বলে যদি কিছু থাকে, সেটা ডট বলের সংখ্যা। একদিকে যখন তামিমের সেঞ্চুরি হলো, অন্যদিকে বাংলাদেশের ইনিংসে ডট বলের সংখ্যাও সেঞ্চুরি পেরিয়েছে! সেটা তামিমের সেঞ্চুরির আগেই! তামিম ছক্কা মেরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছেছেন ৩৩তম ওভারের শেষ বলে, আর ৩১তম ওভারের শেষেই বাংলাদেশ ইনিংসে ডট বলের সংখ্যা ছিল ১০০! এই মুহূর্তে ৩৫তম ওভারের শেষে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ১১২-তে।



