জাতীয় শিশু দিবস

শিশুদের মনোজগতে যাঁরা স্বপ্ন বুনছেন

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০২৪, ০২:২৪ পিএম

আজ জাতীয় শিশু দিবস। প্রতি মুহূর্তে দেশের কোন না কোন প্রান্তে জন্ম নিচ্ছে শিশু। প্রতিক্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুদের বাসযোগ্য উপযুক্ত পৃথিবী কি আমরা গড়ে তুলতে পারছি? অনেক শিশুই দরিদ্র ঘরে জন্ম নিচ্ছে। বেঁচে থাকার সংগ্রামে তারা প্রতিনয়ত খাবি খাচ্ছে। এসব শিশু কারণে–অকারণে অমানবিক আচরণের শিকারও হচ্ছে।

ধনী বা দরিদ্র সব শিশুর জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলার দায়িত্ব বলা যায় সকলের। এই দায়িত্ব পরিবার, সরকার, রাষ্ট্র ও সমাজের। আমরা এই দায়িত্ব কতটুকু পালন করছি? যে শিশুর হাতে বই থাকার কথা, সেই শিশুর হাত আজ লেগুনা বা বাসের হাতলে। যে শিশুর জন্য প্রয়োজন ছিল খেলার মাঠ, সে শিশু আজ তার শ্রম বিক্রি করছে ইটভাটার মালিকের কাছে। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা আমাদের মৌলিক অধিকার। তাই প্রতিটি শিশুর ফিরে পাওয়া উচিত নিজের মৌলিক অধিকার।

আমরা প্রতিদিন অনেক দৃশ্য দেখি। অনেক দৃশ্যের মধ্যে একটি সুন্দর দৃশ্য হলো-এলোমেলো বিছানায় ছোট্ট একটি শিশু পা ছড়িয়ে বইয়ের পাতা উল্টিয়ে ছবি দেখা। আবার যখন কোন শিশুকে মোবাইল হাতে খাবার খেতে দেখা যায়, তখন মনটাই খারাপ হয়ে যায়।

শিশুদের কল্পনার জগৎ অনেক বিশাল। সেই জগতে খেলা করে অনেক কিছু। গল্পের ছলে শিশুর মনে তৈরি করা যায় ভিন্ন মনোজগত। বই হতে পারে সেই মনোজগতে একটি মাধ্যম। শিশুদের মনোজগত নিয়ে এখন অনেকেই কাজ করছেন। তাদের কেউ কেউ হয়ত বই লিখছেন, কেউ কেউ আবার সেসব বইয়ে আঁকাআঁকি করছেন, আবার কেউ হয়ত শিশুদের জন্য খুলে বসেছেন বিশাল প্রকাশনার জগৎ। শিশুদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেন এমন চারজনের সঙ্গে আলাপে উঠে আসে কিছু কথা—

সঙ্গীতা ইমাম। ছবি: সংগৃহীতসঙ্গীতা ইমাম, লেখক
সঙ্গীতা ইমাম দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা করছেন। তাঁর জন্ম শিল্পী দম্পতি সৈয়দ হাসান ইমাম ও লায়লা হাসানের  ঘরে। তিনি সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে উঠেছেন। বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে করতে শিশুদের সঙ্গেই গড়ে ওঠে তাঁর সখ্য। শিশুদের মতো করে বলতে পারার চিন্তা তাঁকে পেয়ে বসে। ওই ভাবনা থেকেই শিশুদের জন্য মুক্তিযুদ্ধের ও ভ্রমণ কাহিনি নিয়ে লেখা শুরু করেন তিনি। এ ছাড়া তিনি শিশুদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (স্পর্শ) নিয়েও বই লিখেন। যাতে কন্যাশিশুরা তাঁর লেখা বই পড়ে উপকৃত হতে পারে।
   
সঙ্গীতা ইমাম লেখার ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেন। তিনি চান তাঁর লেখা বইটি যেন কোন না কোনভাবে শিশুদের মনে একটু হলেও দাগ কাটে এবং কিছুটা হলেও নৈতিক শিক্ষা লাভ করে। সঙ্গীতা ইমাম বলেন, ‘শিশুদের জন্য লেখার মধ্যে দারুণ ভালোলাগা কাজ করে। শিশুরা যখন বাবা-মায়ের সঙ্গে বইমেলায় গিয়ে হরেক রকমের বই হাতে নেয়, তখন তাদের উজ্জ্বল চকচকে চোখগুলো দেখলেই নতুন লেখার অনুপ্রেরণা পাই। আসলে শিশুদের কোমল মনে জায়গা করে নিতে পারাটা এক বিশাল পাওয়া।’

শিশুদের জন্য সঙ্গীতা ইমাম নয়টি বই লিখেছেন। এ বছরের বইমেলায় পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স থেকে তাঁর প্রকাশিত বইয়ের নাম ‘হারায় যা তা হারায় শুধু চোখে’। এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের সাংস্কৃতিক আন্দোলনটি সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে শিশুদের। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র, বিক্ষুব্ধ শিল্পী সমাজ, মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থার কথা এবং সে সময়ের শিল্পী সংগ্রামীদের কথা ফুটে উঠেছে বইটিতে। সঙ্গীতা ইমাম মনে করেন, শিশুদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হলে, তার হাতে বই তুলে দিতে হবে। আর এই দায়িত্ব পালন করবেন অভিভাবকেরা। ভূতের গল্প বা অতিপ্রাকৃত গল্প, ন্যায়–অন্যায় বোধ ছাড়া গল্প শিশুর মনস্তাত্ত্বিক জগতে উন্নতি ঘটায় না। তাই তাদের মনে নঞর্থক প্রভাব বিস্তার করে এমন লেখার বই তুলে দেওয়া একেবারেই অনুচিত।

মিতিয়া ওসমান। ছবি: সংগৃহীতমিতিয়া ওসমান, প্রকাশক
মিতিয়া ওসমান একজন প্রকাশক। তাঁর শৈশবের দিন কেটেছে ঢাকায়। তিনি প্রকাশনা সংস্থা ‘ময়ূরপঙ্খী’র কর্ণধার। মিতিয়া ওসমানের পুরো প্রকাশনা জুড়ে রয়েছে শিশুতোষ বই। এই প্রকাশনা সংস্থা শুরু থেকে ২০০টি সচিত্র শিশুতোষ বই প্রকাশ করেছে। মানসম্মত বেশি সংখ্যক শিশুতোষ বই প্রকাশ করার জন্য এ বছর বইমেলায় ৩য় বারের মতো বাংলা একাডেমির রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার পায় ময়ূরপঙ্খী। এবারের বইমেলায় ২০ থেকে ২৫টি শিশুতোষ বই প্রকাশ করেছে ময়ূরপঙ্খী।

দেশের বাইরে পড়ালেখা করতে গিয়ে মিতিয়া দেখেন সেখানকার শিশুতোষ বই অনেক মানসম্মত। তাই তিনি মনে মনে চিন্তা করেন এ দেশের জন্য ওই ধরনের বই প্রকাশ করবেন।  মূলত এমন চিন্তা থেকে শিশুতোষ বই নিয়ে কাজ শুরু করেন মিতিয়া। তিনি মনে করেন, বই শুধু পড়ার বিষয় নয়, বই খেলার মাধ্যমও হতে পারে। কারণ চিত্রের মাধ্যমে একটা সাধারণ গল্প শিশুদের মননে অন্য রকম আবহ তৈরি করতে পারে। মিতিয়া স্বপ্ন দেখেন, ভবিষ্যতে বিভিন্ন ফরম্যাটে শিশুতোষ বই প্রকাশ করার।

শিশুরা যা দেখে, সেটার প্রতি তাদের আগ্রহ জাগে। শিশুদের মনোজগতে বই বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন মিতিয়া। তিনি বলেন, ‘শিশুদের জগৎ এখন ভার্চুয়াল হয়ে গেছে। এ কারণে একটা শিশু জন্মের কয়েক মাস পর থেকে ফোন নিয়ে বড় হচ্ছে। আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন বই ছিল বিনোদনের একটা অংশ। এখনকার শিশুদের বিনোদনের অংশ টিভি, মোবাইল ইত্যাদি। বই এখন শিশুর কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। শিশুর বিনোদনের মাধ্যম হতে পারে বই। এমন ধরনের বই, যেগুলো পড়ে শিশুরা আনন্দ পাবে। জ্ঞান অর্জনের চেয়ে বেশি দরকার শিশুদের বই পড়ে আনন্দ পাওয়া। এখনকার বেশির ভাগ বাবা–মা জ্ঞানমূলক বই কেনেন। এতে শিশুর পড়ালেখার প্রতি বিতৃষ্ণা জাগে। শিশুকে ছোটবেলায় মজার মজার গল্পের বই দেওয়া দরকার। এসব বই পড়ে নিজে নিজে সে হাসবে, কাঁদবে।  এতে শিশুদের বই পড়ার আগ্রহ বাড়বে। শিশুদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য, বিনোদনের জন্য বই দেওয়া দরকার।’

সাদিকা রুমন। ছবি: সংগৃহীতসাদিকা রুমন, লেখক
সাদিকা রুমন শিশুতোষ বই লেখেন। তাঁর শৈশবের দিন কেটেছে টাঙ্গাইলে। তিনি ছোটবেলায় গল্প লিখতেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করতে গিয়ে কবিতা লেখা শুরু করেন। কবিতা লিখতে লিখতে একদিন শিশুদের জন্য একটা গল্প লেখেন। রুমন ছোটদের জন্য গল্প লেখার অনুপ্রেরণা পান মহাভারত থেকে।

রুমন শিশুদের কাছে চিঠি লিখে পাঠাচ্ছেন মনে করে বই লেখেন। বলা যায়, নিজের অনুভবের জায়গা থেকে শিশুদের জন্য লেখেন তিনি। কারণ তিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে শিশুহৃদয়ে নিজের ছোটবেলায় জমে থাকা গল্পের বিচ্ছুরণ ঘটাতে চান। রুমন বলেন, ‘আমি ফুল, পাখি, লতাপাতার গল্প বলি। সুন্দর আর আনন্দের কথা বলি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, শব্দ মানুষের হৃদয়কে নির্মাণ করে। একজন শিশু যে শব্দাবলি আর উচ্চারণের ভেতর বেড়ে ওঠে, তার ওপর ভবিষ্যতের পরিপূর্ণ মানবরূপটি নির্ভর করে।’

রুমন এ পর্যন্ত শিশুদের জন্য ছয়টি বই প্রকাশ করেছেন। বইগুলো হলো–‘ফুলমনি’, ‘ফাংসাং’, ‘রঙের দেশে পত্রলেখা’, ‘নিঝুম রাজ্যে বসন্ত’, ‘বইভূত’ ও ‘পাখিদের ধর্মঘট’। এবারের বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে ‘পাখিদের ধর্মঘট’। বইটি প্রকাশ করে ইকরিমিকরি প্রকাশনী। এই বইটি মূলত প্রকৃতির বিপন্নতার গল্প।

রুমন শিশুদের জন্য পৃথিবী গড়তে চান। তিনি মনে করেন, প্রতিটি শিশু একটি ফুল, তার জন্য স্বাস্থ্যবান একটা বাগান জরুরি। পৃথিবীতে তেমন বাগান গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য।

হৃদিতা আনিশা। ছবি: সংগৃহীতহৃদিতা আনিশা, অলংকরণ শিল্পী
হৃদিতা আনিশা একজন অলংকরণ শিল্পী। ঢাকায় কেটেছে তাঁর শৈশবের দিন। পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রাচ্যকলা বিভাগে। ছোটবেলা থেকে হৃদিতা ছবি আঁকতেন। শৈশবে তাঁদের বাসায় প্রগতি প্রকাশনের বই ছিল। সেসব বইয়ের অলংকরণের ছাপ তাঁর ভালো লাগতো, যা এখনও তাঁর মনে গেঁথে আছে। 
মাস্টার্স চলাকালীন সময়ে তিনি শিশুতোষ বইয়ে ছবি আঁকা শুরু করেন। হৃদিতার প্রথম অলংকরণের কাজ ছিল বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘ধানশালিকের দেশ’ নামের ম্যাগাজিন। এরপর ২০২০ সালের বইমেলায় প্রথম তাঁর অলংকরণে প্রকাশিত হয় ফারজানা তান্নীর লেখা বই ‘মেঘবতী’। সব মিলিয়ে ২০২০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৫টি বইয়ের অলংকরণ করেছেন তিনি। ২০২২ সালে বহ্নি বেপারীর ‘টিক টিক টিক’ বই তাঁর অলংকরণের জন্য পুরস্কার পায়। এ ছাড়া গত বছর প্রকাশিত হয় তুষার আব্দুল্লাহর লেখা ‘তিলাঘুঘু’, যার মধ্যে হৃদিতার আঁকা ত্রিশের বেশি সাদা–কালো অলংকরণ রয়েছে। এই বছর প্রথম তিনি ডিজিটাল মিডিয়ায় কাজ শুরু করেন। এ পর্যন্ত দুইটি বইয়ের অলংকরণ করেছেন। এই বছর তাঁর অলংকরণে ইকরিমিকরি থেকে প্রকাশিত হয় অনীলা পারভীনের লেখা অস্ট্রেলিয়ার উপকথা ‘উলুরু’এবং ময়ূরপঙ্খি থেকে প্রকাশিত হয়েছে ঝর্না রহমানের লেখা ‘শোভনের পাখপাখালি’।

প্রচ্ছদ নাকি পুরো বইয়ের অলংকরণ—চ্যালেঞ্জিং কোনটি? এই প্রশ্নের উত্তরে হৃদিতা বলেন, ‘ছোটদের বইয়ের প্রায় সব পৃষ্ঠাতেই এক মাথা থেকে শুরু করে আরেক মাথা পর্যন্ত ছবি থাকে। গল্পের সুতো ধরে সেই ছবিগুলো সিনেমার মতো চোখের সামনে ভাসে। তাই ভেতরের অলংকরণ কেমন হবে—এটি ধারণা করা অনেকটাই সহজ। কিন্তু সেই একই বইয়ের প্রচ্ছদ করতে গেলে প্রতিবারই আটকে যাই, কারণ পুরো বইয়ের কাহিনি একটা ছবিতে ফুটিয়ে তোলা খুব বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হয়।’

হৃদিতা বলেন, ‘আমাদের দেশে শিশুদের বিনোদনের জায়গা অনেক শোচনীয়। এই জায়গায় উত্তরণ ঘটাতে হবে। শিশুদের নিয়ে ভাবার পরিধি বাড়াতে হবে।’ হৃদিতা এখন স্বপ্ন দেখেন নিজের করা অলংকরণ দিয়ে বই প্রকাশ করার। 

হয়তো আপনার পরিচিত কোনো স্কুলপড়ুয়া মেয়ের ফেসবুক আইডি থেকে অদ্ভুত কিছু বার্তা পেলেন। অবাক হবেন না, হয়তো আপনার পরিচিত সেই মেয়েটি সাইবার অপরাধের নির্মম শিকার। এমন ভুয়া আইডি তৈরি করে বিভিন্নজনকে পাঠানো...
দেশে মোট শ্রমশক্তি সাত কোটির বেশি, এর মধ্যে দুই কোটিরও বেশি নারী। যা এখন মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৩৯ শতাংশ। বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে অবদান বাড়লেও মজুরি আর মর্যাদায় এখনো পিছিয়ে নারীরা। কমেনি বৈষম্য। খাত...
গণিত অনেকের কাছেই কঠিন একটি বিষয়। সমীকরণ আর জটিল তত্ত্বে ভরা এই জগৎ অনেক সময় ভয়ও জাগায়। কিন্তু এই কঠিন বিষয়কেই নিজের ভালোবাসা আর মেধা দিয়ে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন মরিয়ম মির্জাখানি। তাঁর...
নারীর প্রতি ক্রমশ বাড়তে থাকা নিপীড়নের মধ্যে আজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। যুদ্ধ, মানব পাচার আর সাইবার জগতে নারীর সুরক্ষায় সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বিশ্বের...
দেশের চিনিকলগুলোতে সারা বছর উৎপাদনশীলতা রাখা যায় কিনা, সরকার সে চিন্তা–ভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার বিকেলে নাটোর সুগার...
ধর্ম চর্চাকারীরা ধর্ম ব্যবসায়ীদের সঠিকভাবে চিনতে পারলে ধর্মচর্চা সার্থক হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শুক্রবার বেলা ১২টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে...
দুর্নীতি দমনে ব্যর্থ হওয়ায় বর্তমান সরকার দেশ পরিচালনার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে বলে বন্তব্য করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক...
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ গেছে ৮৩৭ জনের। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর