নতুন করে ঘনীভূত হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত। আলোচনায় না ফিরলে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে মার্কিন হামলায় কয়েকদিনে ৩০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ২৬০ জন আহত হয়েছেন। দেশটির সেনাবাহিনী জানায়, মার্কিন হামলায় দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ৭ সেনা নিহত হয়েছেন।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আলোচনায় না ফিরলে আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে। তিনি নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি যতক্ষণ না বলছি যথেষ্ট হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী হামলা চালিয়ে যাবে। আমি এখনও ইরানের জ্বালানি খাতগুলোতে হামলা চালাইনি। তবে এমন অবস্থা খুব বেশিদিন থাকবে না। যদি আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইরান আমাদের সঙ্গে আলোচনায় না বসে, তাহলে ইরানকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হবে।’
এর আগে ইরানে অন্তত সাত ঘণ্টাব্যাপী সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করে যুক্তরাষ্ট্র। উপকূলীয় এলাকায় বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার কথা জানায় সেন্টকম।
যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা জবাব দিতে বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হামলা অব্যাহত রেখেছে। তেহরানকে এর কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
সংঘাত আরও বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের তেল ও গ্যাস রপ্তানির কাজে ব্যবহৃত পথ লক্ষ্যবস্তু হবে বলে হুমকি দিয়েছে আইআরজিসি। মার্কিন আগ্রাসন বন্ধ না হলে হরমুজ প্রণালি ফের অবরোধেরও ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করে, হরমুজ প্রণালিতে কোনো জাহাজে হামলা না হলেও তার অজুহাত দেখিয়ে ইরানের সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এটিকে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করার পদক্ষেপ বলে অভিযোগ তুলেছে তারা।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে সায়েকাহ অভিযানের মাধ্যমে নতুন করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। এ অবস্থায় ইরানের জাহাজ পরিবহন নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত ৫০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।


সপ্তমবারের মতো ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ
