যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে গণনা শুরু হয়েছে। দেশটির প্রতিটা অঙ্গরাজ্যে স্থানীয় সময় অনুযায়ী, ধাপে ধাপে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে।এসব নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাকি দুই বছর মেয়াদে কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। বর্তমানে দুই কক্ষই রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে।
কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ৪৩৫টি আসনের সবগুলোতে ও সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে ভোট হয়েছে। এ ছাড়া ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচনও হয়েছে। সিনেটে এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য যেকোনো দলের ৫১টি আসন প্রয়োজন। বর্তমানে ডেমোক্র্যাটদের ৪৫টি এবং রিপাবলিকানদের ৫৩টি আসন রয়েছে। বাকিগুলোর মধ্যে দুটি আসন স্বতন্ত্র।
বিবিসি জানিয়েছে, ভোট গণনা শুরুর পর প্রথম ফলাফল আসতে শুরু করেছে। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মার্ক ওয়ার্নারকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিটি অঙ্গরাজ্য নিজ নিজ নির্বাচন পরিচালনা করে এবং ভোটগণনা ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য তাদের নিজস্ব নিয়ম রয়েছে। কিছু অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের দিনের আগেই আগাম দেওয়া ভোট প্রক্রিয়াকরণ করে, আবার অন্যগুলো ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর তা শুরু করে।
স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তারা ভোটারের পৃথক ভোট যাচাই, প্রক্রিয়াকরণ এবং গণনার কাজ করেন। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ক্যানভাসিং। বেশিরভাগ অঙ্গরাজ্যে নির্বাচন-পরবর্তী একটি আনুষ্ঠানিক নিরীক্ষা বা অডিট বাধ্যতামূলক। এতে হাতে গণনা করা ব্যালটের সংখ্যা যন্ত্রের মাধ্যমে গণনা করা মোট সংখ্যার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। তবে এ সংক্রান্ত নিয়ম দেশজুড়ে এক নয়।
সব অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নিয়ম রয়েছে, যেখানে নির্ধারণ করা থাকে কারা ভোট গণনার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন, কোন ক্রমে ভোট প্রক্রিয়াকরণ হবে এবং প্রক্রিয়ার কোন অংশ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতে ভোট গণনায় বিলম্ব হতে পারে। একইসঙ্গে পুনর্গণনা এবং আইনি চ্যালেঞ্জের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।


