বেশ কিছুদিন ধরেই পাকিস্তানে ইন্টারনেট সেবা ধীরগতিতে চলছে। তাই বিকল্প হিসেবে অনেকে বেছে নিয়েছেন ভিপিএন বা ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক। কেউ কেউ বলছেন, সরকার এবার ভিপিএনের ওপরও খবরদারি করছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এই ঘটনা সত্যি নয়। ভিপিএন ব্লক করা হয়নি।
পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ) মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে বলে জিও নিউজের প্রতিবেদেন বলা হয়েছে। পিটিএর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে ভিপিএন বন্ধ দাবি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করতে চায়, পাকিস্তানে ভিপিএন ব্লক করা হয়নি।
নির্দিষ্ট একটি ভৌগোলিক অঞ্চলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা মাধ্যমে প্রবেশাধিকার বন্ধ রাখা হলে ভিপিএনের ব্যবহার দেখা যায়। ভিপিএন ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে অন্য একটি দেশ বা অঞ্চলের সঙ্গে একটি ভার্চ্যুয়াল নেটওয়ার্ক গড়ে। সার্ভার যখন দেখে ব্যবহারকারী বন্ধ বা ব্লক করা কোনো নেটওয়ার্ক থেকে আসেনি, তখন তাকে সেই সাইটে প্রবেশ করতে দেয়।
গত বছর পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের পর পাকিস্তানজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। তখন থেকেই সরকার একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করার পাশাপাশি কিছু কিছু জায়গায় ইন্টারনেটের গতি কমিয়েছে।
অবশ্য গত মাসে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শাজা ফাতিমা জানান, সরকার ইন্টারনেটের ধীরগতির জন্য দায়ী নয়। ভিপিএনের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য কমেছে ইন্টারনেটের গতি।
পিটিএ বলেছে, এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ সমস্ত আইটি কোম্পানি, সফটওয়ার হাউস, ফ্রিল্যান্সার এবং ব্যাংকগুলকে ভিপিএন ব্যবহার করার জন্য নিবন্ধন করতে উৎসাহিত করছে, যাতে কোনো সমস্যা হলে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ইন্টারনেট পরিষেবাগুলি ব্যাহত না হয়।
২০২০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ভিপিএনে ২০ হাজারেরর বেশি আইপি নিবন্ধিত হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।



