টিফাতে বাঙালির অংশগ্রহণ: দ্বিতীয় পর্ব

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:১৬ পিএম

কানাডার টরন্টোতে সম্প্রতি সমাপ্ত হলো এগারো দিনব্যাপী টরন্টো আন্তর্জাতিক লেখক উৎসব বা টিফা। এ বছর তৃতীয়বারের মতো কানাডার বাঙালি লেখকেরা অংশ নেন এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে। কানাডার বাঙালি সমাজের জনপ্রিয় মুখ লেখক, গবেষক ও টিভি ব্যক্তিত্ব সুব্রত কুমার দাসের তত্ত্বাবধানে এবছর এগারো জন বাঙালি লেখক তিনটি পর্বে অংশ নেন। টিফায় বাঙালিদের অংশগ্রহণকে স্বচোক্ষে দেখতে দূরের শহর হ্যালিফ্যাক্স থেকে উড়ে টরন্টো যান তরুণ লেখক অতনু দাশ গুপ্ত। তিনটি পর্ব নিয়ে অতনুর দীর্ঘ লেখাটি আমরা তিন কিস্তিতে প্রকাশ করছি।

বেঙ্গলিজ ইন ক্যানলিট

গত ২৪ সেপ্টেম্বর রোববার টরন্টো মহানগরীর কেন্দ্রস্থল হারভারফ্রন্টে চলমান এগারো দিনব্যাপী সাহিত্য উৎসবে বাঙালি লেখকদের অংশগ্রহণে দ্বিতীয় অধিবেশন বসে দুপুর দেড়টায়। ব্রিগ্যানটিন প্যাটিও প্রাঙ্গণে অস্থায়ী মঞ্চে উপবিষ্ট হন লেখক, কবি, সঙ্গীতজ্ঞ কে. গান্ধার চক্রবর্তী, কবি ও শিক্ষিকা লাবনী ইসলাম এবং ঔপন্যাসিক লেখক আরিফ আনোয়ার। যথারীতি অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন লেখক, গবেষক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সুব্রত কুমার দাস।

‘কোথায় গেলেন সকল সংযমব্রতী হিব্রুগণ?’ –এমন কিছু যা একজন কবি, পণ্ডিত এবং লেখক তার সাম্প্রতিক পিএইচডি থিসিসে একটি উত্তর উদ্ভাবনের জন্য অনুসন্ধান করছিলেন। তিনি হলেন কে. গান্ধার চক্রবর্তী– মন্ট্রিয়লে জন্ম নেওয়া একজন লেখক এবং সঙ্গীতজ্ঞ। সাহিত্যজগতে তাঁর পদাপর্ণ ঘটে যখন কবিতার সংকলন ‘কলকাতা ড্রিমস’ ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয়। একজন পরিভ্রমণকারী এবং ফটোগ্রাফার হিসাবে ২০০১ সালে তাঁর ভ্রমণের লেখা ও ছবিগুলোর সিরিজ আলোচনায় আসে। তিনি একজন সঙ্গীতশিল্পীও। তাঁর একটি মিউজিক ভিডিও গান ‘আমানে’ ২০০৭ সালে ক্রেভফেস্টে মনোনীত হয়েছিল। ২০১০  সালের প্রকাশনা ‘ম্যাপেল ভেদাস’ ভারতীয় পৌরাণিক দেবতা বিষ্ণু, মহাদেব, গণেশ এবং কালীকে তুলে ধরেছে। ওই দেবদেবীরা  কানাডায় আসছেন, নানান প্রশ্নের উত্তরের অনুসন্ধানে এবং পৃথিবীব্যাপী পরিভ্রমণে যাচ্ছেন এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে, যেগুলো জিজ্ঞাসা করা প্রয়োজন। গান্ধার চক্রবর্তী ২০০৭ সালে কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটিতে থিওলজিক্যাল স্টাডিজে এমএ করেন এবং পরে তিনি মন্ট্রিয়ল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে ধর্মবিজ্ঞানে পিএইচডি করেন।

‘একটি স্মৃতি যা একটি ধাঁধায় পরিণত হয়েছে’ – এভাবেই কবি লাবনী ইসলাম তাঁর কবিতা 'লুনার ল্যান্ডিং, ১৯৬৬' সম্পর্কে বলার সময় নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছিলেন যা সিবিসি কবিতা পুরস্কারের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত হয়েছিল। বাছাই পর্বে প্রায় ২৪০০টি কবিতা জমা পড়ে। তার কবিতাসহ পাঁচটি শীর্ষ পাঁচে স্থান পায়। এটি এমন একটি কবিতা যেখানে কবি তাঁর মা এবং তাঁর মা নিজের বাবাকে স্মরণ করছেন। এখানে দাদুর প্রতি তার মায়ের এবং নিজেরও দাদুকে  সম্মান করার বিষয়টি জড়িয়ে আছে, যার সাথে তিনি কখনও দেখা করেননি।  মহাবিশ্ব এত বিশাল এবং তবুও এত শান্ত!  সবকিছুই তাদের নিজস্ব পথ অনুসরণ করছে। তিনি আরও দুটি ক্ষুদ্র পুস্তিকার লেখক – ‘লাইট ইয়ারস’ (বেসলাইন প্রেস, ২০২২) এবং ‘ট্রিমিং দ্য উইক’ (ইগনিশন প্রেস, ২০২৩)৷ এছাড়াও তাঁর ছোট বোন দয়ালী ইসলামেরও কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। তিনি সাহিত্য জগতে তাঁর যাত্রার অনুপ্রেরণার একটি বিশাল উৎস হিসেবে রয়েছেন। তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি এবং ভিজ্যুয়াল স্টাডিজে তাঁর উচ্চতর বিষয়ে অধ্যয়ন করেছেন। পরে ২০০২-০৩ সাল পর্যন্ত অন্টারিও ইনস্টিটিউট অব স্টাডিজ ইন এডুকেশনে তাঁর শিক্ষকতা ডিগ্রি অর্জন করেন। সাহিত্যের প্রতি তাঁর অনুরাগ অব্যাহত থাকে যখন তিনি ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো স্কুল অব কন্টিনিউইং স্টাডিজ ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রামে ক্লাস শুরু করেন, বিশেষ করে কবিতার ওপর।

তাঁর কাছ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ হলো- ‘আপনার ভিতরের লেখকের কথা শুনুন। জেনে রাখুন লেখক যেকোনো বয়সে আবির্ভূত হতে পারেন এবং সাহিত্যিক পরিমন্ডলের বৃদ্ধির জন্য নানান রকমের উপাদানের সমষ্টির প্রয়োজন রয়েছে।’

কবি ও লেখক আরিফ আনোয়ারের জন্মস্থান চট্টগ্রাম। বাংলাদেশের মানুষ তিনি। নিজ মাতৃভূমিতে তিনি দারিদ্র্যের সমস্যা দূরীকরণে ব্র্যাকের (বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংস্থা) সাথে কাজ করতেন এবং জনস্বাস্থ্যের সমস্যা সম্পর্কিত ইউনিসেফ মিয়ানমারেও তাঁর ভূমিকা ছিল। পরে তিনি কানাডায় স্থানান্তরিত হন। তারপরে তিনি বিএস এবং এমএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে। পরবর্তীকালে তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি ঊর্ধতন নীতি বিশ্লেষক হিসেবে কানাডার শিশু ও যুব মন্ত্রণালয়ে কর্মরত রয়েছেন।

তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দ্য স্টর্ম’ সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত হওয়া উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয়। এটি ১৯৭০ সালে বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী ভোলা জেলার একটি গ্রামে ঘটে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ের ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত এবং এতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের গল্পও রয়েছে।

ক্যানলিট বা কানাডিয় সাহিত্যে বাঙালি লেখক বিষয়ে উপস্থাপক সুব্রত কুমার প্রাথমিক প্রশ্নে গান্ধার চক্রবর্তীকে নিজের সাহিত্যিক সফর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি নিজের লেখা 'কলকাতা ড্রিমস'-এর কথা উল্লেখ করেন। গান্ধার কখনও নিজের দাদু-দিদাকে দেখেননি। প্রথমবার যখন কলকাতা শহর ভ্রমণে যান তখন ওখানকার সবকিছুই তাঁর কাছে ছবিতে, লেখায় ধরে রাখার মতো মনে হয়েছিল। আলোচ্য বইয়ে এসবের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন। এখানে ওই সময়ে কলকাতা শহরের অলিতে-গলিতে নিজের তোলা ছবিও রয়েছে। কিন্তু এ বই প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বহুবার বাঁধার সম্মুখীন হন। সৌভাগ্যক্রমে তার পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম সাহিত্য পুরোধা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাথে যোগাযোগ হয়। তিনিই তাঁকে এ বই ছাপানোর ব্যবস্থা করে দেন। ২০০৭ সালে তিনি এর খসড়া কপি জমা দেন এবং ২০০৯ সালে প্রথম বই প্রকাশিত হয়। এ সময় প্রশ্নকর্তা ২০২০ সালের টিফা উৎসবে গান্ধার চক্রবর্তীর বাবা কবি অশোক চক্রবর্তীর অংশগ্রহণের বিষয়টি উপস্থিত শ্রোতাদের উল্লেখ করেন। উল্লেখ করা যেতে পারে, সে বছর অশোক ছাড়াও আরও নয় জন লেখক বাঙালি সমাজ থেকে অংশ নেন যাঁদের নেতৃত্ব দেন সুব্রত কুমার দাস।

কবি লাবনী ইসলামকেও একই প্রশ্ন করা হলে তিনি লেখালেখি এবং শিক্ষকতা উভয়কেই নিজের অন্যতম আবেগের স্থান করেন। শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হওয়ার পর পুনরায় লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেন। তিনি জানান, ২০১০ সালে জীবনে পটপরিবর্তন ঘটে।

তিনি আরও বলেন, দুটোকেই সামঞ্জস্যতা দিতে ইচ্ছুক হন। নিজের লেখার খসড়া বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়ে প্রত্যাখ্যাত হন। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যেদিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাঁর পাণ্ডুলিপি খারিজ করা হয়েছিল, সেদিনই তিনি সিবিসিতে কবিতার পান্ডুলিপি জমা দেন। প্রায় ২৪০০ কবিতার মধ্যে পাঁচটি কবিতাকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়। তারমধ্যে একটি তার লেখা লুনার ল্যান্ডিং, ১৯৬৬। কবিতাটি তাঁর মা স্বপ্নে দেখেছিলেন।

পরের লেখক আরিফ আনোয়ারকে ২০১৮ সালের আগে তাঁর আর কোনো লেখা প্রকাশিত হয়েছিল কি না জিজ্ঞেস করা হলে তিনি নেতিবাচক উত্তর দেন। ১৯৭০ সালের ভোলা সাইক্লোনের উপর লিখিত 'স্ট্রম' প্রথম প্রয়াস। উপস্থাপক উল্লেখ করেন স্ট্রম বিপুলভাবে পাঠক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। পরে তাকেও প্রথম উপন্যাস লেখার অভিজ্ঞতার কথা জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। উত্তরে তিনি সেই গ্রামে হাতুড়ে চিকিৎসকের একটি ঘটনার মাধ্যমে বিষয়টি বোঝান। কিভাবে সেই সময়ে হাতুড়ে চিকিৎসকের চিকিৎসা করার রীতি প্রচলিত ছিল সেসবেরও উল্লেখ করেন। 

দ্বিতীয় প্রশ্নে কানাডায় থেকেও বাঙালিয়ানা কতটা উপভোগ করেন এটা জানতে চান সুব্রত। গান্ধার জানান, প্রথমবার তাঁর কলকাতায় গমনের উদ্দেশ্য ছিল আত্মীয়স্বজনের সাথে দেখা করা। এটা নাড়ির টানেই করেছিলেন। ওখানকার রাস্তাগুলোতে রিকশায় অবিরাম ঘুরে চলা, ছবি তোলা, হিন্দু দেবতাদের সংস্পর্শে আসা। শ্রীকৃষ্ণ, হনুমান, গণেশ, শিব – এদের সবাইকে খুঁজে পাওয়া এবং মনের অসংখ্য প্রশ্নের সমাবেশ ঘটার কারণেই পরবর্তী বই 'মেপল ভেদাস' লিখতে সক্ষম হন তিনি।

সঞ্চালকের বিশেষ অনুরোধে বইয়ে দেবতা গণেশের উপর লেখা একটা কবিতার কিছু অংশ পাঠ করে শোনান দর্শক শ্রোতাদের।

কবি, শিক্ষিকা লাবনীর কাছে বাংলাদেশ নিয়ে কোন কবিতা লিখেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি আরেক অতিথি আরিফ আনোয়ারের 'স্ট্রম' বইয়ের ২৮৫ নং পৃষ্ঠার একটা লাইন পড়ে শোনান। তাঁরা শুধু নিজের লেখাই নয়, অন্যের বই থেকেও পাঠ করেছেন। এ এক অভূতপূর্ব দৃশ্য! নিজের লেখা বই ‘ট্রিমিং দ্য উইক’  থেকে অত্যন্ত শ্রুতিমধুর এক কবিতা পড়ে শোনান লাবনী।

আরিফ আনোয়ারের কাছে জিজ্ঞাসা ছিল, তাঁর বইতে বাংলা অক্ষর ব্যবহার করার ধারণা তিনি কোথায় পেলেন। লেখক তাঁর কারণ ব্যাখ্যা দেন। উপস্থাপক সবাইকে অবহিত করেন, ইংরেজি বইয়ে বাংলার অক্ষর ছাপানো একটা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়। প্রশ্নের অনুক্রমে গান্ধারকে জিজ্ঞেস করা হয় গত বারো বছরে তিনি কিছু লেখেননি কেন? প্রতিত্তরে তিনি জানান, লেখার প্রস্তুতি তার সবসময়ই রয়েছে। পরবর্তীকালে তিনি নতুন বই আনছেন। এ বইয়ে তাঁর দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন জায়গায় সফরের কথা উঠে আসবে। প্রথম বইতে কলকাতা, দ্বিতীয় বইতে পৌরাণিক কাহিনি ও কানাডা এবং তৃতীয় খন্ডে থাকছে আফ্রিকা।

সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি পিয়ানোতে তাঁর পারদর্শিতার কথা বলেন। নিজের কাকা জয় চক্রবর্তী ধ্রুপদী সংগীতের জগতে পরিচিত নাম বলেও উল্লেখ করেন তিনি। গান্ধার জানান, তাঁর কাছে থেকেও অনেক শিক্ষা নিয়েছেন তিনি।

লাবনী ইসলামের পরবর্তী বই নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি রূপক অর্থের ব্যবহারে এর উত্তর দেন। চিন্তার অসীম আকাশে হারিয়ে গেলে একসময় কবিতারা তাঁর দরজায় এসে কড়া নাড়ে। কবিতার লাইনগুলো হারিয়ে যায় আবার ভোল পালটে নতুন রূপে ফিরে আসে। কবিতার এমন কিছু ব্যাপার উল্লেখ করে জানান, তিনি আগামীতে কবিতায় নিজের সম্পূর্ণ পুস্তক লিখতে চলেছেন। আরিফের কাছেও ভবিষ্যত পুস্তক পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বইয়ের রচনার পেছনের কিছু কথা বলেন। যেমন, তার বর্তমান বইয়ের খসড়াকপি মূল কপির তুলনায় আকারে দ্বিগুণ। সম্প্রতি তিনি সেটা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছেন। ভারতের মানুষখেকো বাঘের গল্পের অনুপ্রেরণা নিয়ে বইটি রচিত।

গান্ধার চক্রবর্তী ‘ব্যানিয়ান ট্রি’ কবিতা থেকে পাঠ করে শোনানোর পর অনুষ্ঠান সঞ্চালক সবাইকে অবহিত করেন যে সেদিন সকালে সিবিসি রেডিওতে গান্ধার এবং লাবনী দুজনেই আমন্ত্রিত ছিলেন। ওখানেও তাঁরা একই কবিতা পাঠ করেছেন। এরপর লাবনী তাঁর ২০২৩ সালে প্রকাশিত বই ’ট্রিমিং দ্য উইক’ থেকে পাঠ করেন খানিকটা। ইংরেজি এ কবিতায় বাংলা অক্ষরের সম্মেলনে নিজ মাতৃভাষার প্রতি কবির এক অসাধারণ অনুরাগের প্রদর্শন দেখতে পান সকলে।

এরপর শুরু হয় প্রশ্নোত্তরের পালা। দর্শকসারি থেকে বিভিন্ন সাহিত্যানুরাগীরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করলেন নিজেদের প্রিয় লেখকদের।

এভাবেই শেষ হয় বাঙালিদের অংশগ্রহণে দ্বিতীয় অধিবেশন।

 

সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ ইউকের উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনের ব্রাডি আর্ট সেন্টারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে চতুর্দশ বাংলাদেশ বইমেলা। গত শনি ও রোববার দুদিনব্যাপী দুপুর ১টা থেকে রাত ১০টা...
প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানি গঠন, পিআরও সেবা, ডকুমেন্ট প্রসেসিং, লাইসেন্সিং সহায়তা এবং ব্যবসায়িক পরামর্শ সেবা প্রদান করে আসছে। কাতারের ব্যবসায়িক খাতে একটি বিশ্বস্ত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান...
লন্ডনের মাটিতে লাল-সবুজের আরও একটি গর্বের পতাকা উড়ল। যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লন্ডনের মেইজব্রুক ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার...
আয়োজকদের মতে, পুরো কার্যক্রমটি পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও পারিবারিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়। আগত অতিথিদের জন্য ঈদ স্পেশাল আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া শিশুদের জন্য ব্যবস্থা করা হয় বিশেষ ঈদ উপহারের।
বাংলাদেশে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ডেঙ্গুতে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও একজন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬৩ জন। বিশেষজ্ঞরা জুলাই-আগস্টে ডেঙ্গু সংক্রমণ আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন।
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে জেলার ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভাঙ্গা পৌরসভার পূর্ব হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে শুরু হয়। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল...
হোলি আর্টিজান জঙ্গি হামলা মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানুন। ৭ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়ার পর মামলাটি এখন আপিল বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির উদ্যোগের...
বাংলাদেশ ব্যাংকের আলোচিত রিজার্ভ চুরি, এস আলম গ্রুপের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট এবং বিভিন্ন ঋণ জালিয়াতিতে নীতিগত সহায়তার অভিযোগে সাবেক তিন গভর্নরের নথিপত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন...
লোডিং...

এলাকার খবর