উনি যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা লজ্জাজনক: অপু বিশ্বাস

আলোচনার সূচিতে প্রায়শই থাকছেন অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী। গত ঈদে বুবলীর পক্ষ থেকে অপুকে ঘিরে যে অভিযোগগুলো এসেছে সেগুলো নিয়ে নানা জল্পনা রয়েছে। ইনডিপেনডেন্ট ডিজিটালে সেসব বিষয়ে মুখ খুলেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। যেখানে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। পাশাপাশি এতে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে তাঁর ডিবি কার্যালয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটও। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রাব্বানী রাব্বি

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:০৯ পিএম

প্রশ্ন: এবারের ঈদ কেমন কাটল?
অপু বিশ্বাস: খুব ভালো কেটেছে। সুন্দর কেটেছে। পরিবারকে নিয়ে কেটেছে। ঈদের আনন্দটা ভাগাভাগি করতে পেরেছি, যেটা সবসময় প্রতিটি বাঙালি মানুষ ঈদকে কেন্দ্র করে করেন, যেমনটা চায়—সেটাই হয়েছে।

প্রশ্ন: সাম্প্রতিক বুবলীর তরফে বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছে আপনার নামে। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, বীর (বুবলীর ছেলে) ও শাকিব খানের সঙ্গে ‘কোয়ালিটি টাইম’ কাটানোর সময় রুমে প্রবেশ করেন আপনি...
অপু বিশ্বাস: আসলে তিনি (বুবলী) যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। কারণ, শাকিব খানের এই পজিশনে এসে তাঁর রুমে পর্যন্ত কার অ্যাক্সেস (প্রবেশ) থাকবে, কীভাবে থাকবে—এত বিচার-বিশ্লেষণ বলতে হবে; তা সত্যিই আমার এত বছরের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে লজ্জাজনক একটা বিষয়। তিনি যেটা বলতে চেয়েছেন সেই আসল ঘটনাটি হচ্ছে—আমি অনেক আগে থেকেই সেখানে ছিলাম। সেটা নিতান্তই একটা অফিস এরিয়া, খান সাহেবের বাসা নয়। এটি ছিল ইফতারের পরপর। তখন আমাকে খাবারের বিষয়গুলো বলা হলো এবং আমি আমার শাশুড়িকে সাহায্য করার জন্য তাঁদের বাসায় গেলাম। যখন অফিস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন উনার মেকআপ আর্টিস্ট বা সর্বক্ষণ যে ছেলেটা থাকে—বীরকে নিয়ে সে ঢুকছিল; সে আমাকে দেখে কিছুটা ভড়কে যায়! যাই হোক, আমি বাসায় গেলাম। আর বাসায় গেলে তো ৩০-৪০ মিনিটের মতো এমনিতে পার হয়ই। ওইদিন বাসায় আমার শ্বশুর-শাশুড়ি ছিলেন, আমার ননদও ছিল। সে আমাকে বললো, ‘যাও, ভাইয়া তো খাবে। তাড়াতাড়ি যাও’। আমি যখন এসে রুম নক করলাম, তখন তিনি (বুবলী) এসে দরজা খুললেন। সাক্ষাৎকারে তিনি কী ধরনের পার্সোনাল টাইমের কথা বলছিলেন, আমি জানি না। যে অবস্থায় রুম লক ছিল, সেই অবস্থায় তিনি রুম লক না করলেও পারতেন। যেহেতু অন্যদিকে বাসার কাজের ছেলেরা ছিলেন, হয়তো-বা তাদের বোঝানোর জন্য রুমটা লক ছিল। অন্যকিছু না। আমি আসলে বিষয়টি পুঙ্খানুভাবে ক্লিয়ার করতে লজ্জিত বোধ করছি। আমার আর কিছু বলার নেই। আমি দেখেছি প্রোগ্রামটা। প্রসঙ্গটা আমাকে এভাবে ক্লিয়ার করতে হবে, সেজন্য আমি লজ্জিত এবং বিব্রত। 

প্রশ্ন: তাহলে শাকিবের বাসায় কি আপনাদের (অপু-বুবলী) একসঙ্গে দেখা হয়, সাক্ষাৎকারে এমনটিই তো জানিয়েছিলেন বুবলী...
অপু বিশ্বাস: ওই দিনের কথাটিই তিনি (বুবলী) ঈদের আগের দিন বলেছেন। তাঁর হয়তো প্রত্যাশা ছিল, ঈদের দিন অনেক কিছু হবে। কিন্তু ঈদের দিন তো তিনি আসেননি ওই বাসায়। পরে যে ইন্টারভিউটি দিয়েছেন, তখন হয়তো উনার মাথা কাজ না করার কারণে, কী বলে এখন জনগণের কাছে নিজের অবস্থানটা পরিষ্কার করবেন? যে কারণে তিনি অনেকাংশে বিশ্রী কোনো ইঙ্গিতে চলে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। যেটা আমি ব্যক্তিগতভাবে একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে মনে করি—আজকে শাকিব খান নট অনলি (কেবল নয়) একজন হিরো, আজকে শাকিব খান নট অনলি দুটো বাচ্চার বাবা, আজকের সময়ে শাকিব খান একজন কর্পোরেট পার্সোনালিটিও। একজন কর্পোরেট ব্যক্তিত্বের সম্মান ধরে রাখাটা আমার মনেহয়, তিনি যদি নিজেকে বিন্দু পরিমাণ কাছের মানুষ ভেবে থাকেন, তবে এসব ব্যাপারে আর কোনোকিছু ডিসক্লোজ (প্রকাশ) করাটা উনার উচিত হবে না। এই ডিসক্লোজের মানে তিনি নিজেকে প্রমাণ করার থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে একজন কর্পোরেট ব্যক্তিত্বকে প্রতিনিয়ত ছোট করা। কারণ, আমার বাড়িতে হাড়িতে রান্না হয় নাকি সসপ্যানে রান্না হয়—এই বিষয়গুলো মানুষজনের কাছে তুলে ধরার মূল কারণটা কী বলে তিনি নিজেকে প্রমাণিত করছেন, তা আমার বোধগম্য হয় না। আর দ্বিতীয়ত, যে কথাটি আমি মন থেকে বলতে চাই—বরাবরের মতোই যারা শাকিব খানের এন্টি পার্টি (শত্রু) ছিলেন, অবশ্যই আমি তাদের সঙ্গে মেশা বা চলার কথা চিন্তাও করি না। কারণ বেলাশেষে আমার আপনজন যিনি, তাঁকে যারা ভালোবাসবেন তারাই আমার আপনজন। সেটা হোয়াট্যাভার, গাছ-লতা-পাতা যাই হোক না কেন! তাঁদের কাছের আমার কাজের জায়গাটা কতটুকু, আমি সেটাও দেখতে যাব না। আমার একটাই কথা, আমার ব্যক্তিমানুষের জীবনে যারা বাজে মন্তব্য করবে, তারা অবশ্যই আমার পছন্দের মানুষ নয়। আর আমি অনুরোধ করব উনাকে (বুবলী) আজকে যে, প্লিজ বন্ধ করুন। বন্ধ করা উচিৎ। একটা মানুষ চুপচাপ, তার ব্যক্তিত্ব এভাবে নষ্ট করে না দিলে আমি খুশি হব।

ছেলে জয়ের সঙ্গে অপু বিশ্বাস। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

আজকে আমি আমার বাচ্চাকে আড়ালে পাঠাচ্ছি কেন? অনেক লজ্জিত বোধ করি, সেটা ও বোঝে। আর তিনি যেমন বীরের কথা বলেছেন, বীর নিছকই এতটাই ছোট বাচ্চা—কোয়ালিটি টাইম সম্পর্কে তার কোনো আইডিয়া নেই। কোনো আইডিয়া নেই। জাস্ট আমি এই কথাটি বললাম। আর বারেবারে কেন উনি এই সম্পর্ক এবং সময়গুলোর কথা বলছেন; আমি মনে করি তিনি নিজে ছোট হচ্ছেন।

প্রশ্ন: তাহলে কি বুবলী অসত্য বলেছেন?
অপু বিশ্বাস: লজ্জাজনক কথা বলছেন উনি (বুবলী)! কী টাইম কাটাচ্ছিলেন? আমি মাত্র বের হয়েছি, সেটা উনার মেকআপ আর্টিস্ট জানেন না? আমি বাসা থেকে সেই খাবার-দাবার নিয়ে ব্যাক (ফেরা) করেছি, সেটা তাঁর মেকআপ আর্টিস্ট জানেন না? রুমের মধ্যে উনি ছিলেন, বীর ছিল, আর শাকিব তখন ঘুমাচ্ছিল। সেই লেভেলের ঘুমে ছিল। মূলত এটা একটা অফিস এরিয়া; যেখানে না আছে কোনো বেড বা কোনোকিছু, আছে কেবল একটা সোফা। কী বলব? আমি লজ্জিত, আমার জিভ বন্ধ হয়ে আসছে। আজকে অপু বিশ্বাসকে কি এই ভাষাগুলো বলতে হয়! ছি! ছি! নিজেকেই নিজে ‘ছি! ছি!’ বলতে ইচ্ছে করছে।

প্রশ্ন: বুবলীর সাক্ষাৎকারগুলো দেখেছেন?
অপু বিশ্বাস: হ্যাঁ, আমি কয়েকটা প্রোগ্রামে লক্ষ্য করেছি, উপস্থাপক-উপস্থাপিকা উনাকে (বুবলী) যে প্রশ্নটা করছেন—সেই প্রশ্নের প্রসঙ্গ বা মূল উদ্দেশ্যটা বাদ দিয়ে উনার যে উদ্দেশ্যটা (মানুষকে বাজেভাবে প্রেজেন্ট করা) সেটাই উনি করছেন। কোনো এক প্রোগ্রামে উপস্থাপিকা প্রশ্ন করছেন, উনি বলছেন—‘দাঁড়াও, দাঁড়াও আমি বলছি’। মনে হয়েছে একটু বেশি উত্তেজিত হয়ে গেছেন বিষয়টিকে টুইস্ট করার জন্য। একটা সত্য, আরেকটা প্রুফ (প্রমাণ) করানো; দুটো এক জিনিস নয়।

প্রশ্ন: এদিকে, সম্প্রতি আপনাকে ডিবি কার্যালয়ে যেতে হয়েছিল। কেন?
অপু বিশ্বাস: তাপস সাহেবের ব্যাপারেও যে আমাকে ডিবি অফিসে যেতে হবে (আমি আমার বাচ্চার সামনে জানেন এই ইন্টারভিউটা দিতে চাচ্ছি না)। মুন্নী ভাবির (ফারজানা মুন্নী) সঙ্গে আমার কথাগুলো, যেটা অনলাইনে এসেছিল; আসার পর ওইটা নিয়ে তাপস সাহেব আমার নামে একটা ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন যে, কারও অনুমতি ছাড়া এই কথাগুলো কেন এসেছে? মূলত দেখেন, তাপস সাহেব ও উনার (বুবলী) বিষয়টি নিয়ে যে আলাপ হয়েছে, সেটা তো আমি বলতে আসিনি। এটা উনার স্ত্রী-ই বলেছেন। উনার স্ত্রী কিন্তু আমাকে বলেননি, আমার কাছ থেকে নাম্বার নিয়ে শাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। শাকিব তখন ‘দরদ’-এর শুটিং করছিলেন। আমাকে যে কথাগুলো বলেছেন, একই কথাগুলো উনি (ফারজানা মুন্নী) শাকিবকেও বলেছেন।

প্রশ্ন: তাপসের সঙ্গে বুবলীকে জড়িয়ে আমরা যে গুঞ্জনটা শুনি...
অপু বিশ্বাস: গুঞ্জন নয়, সে-তো অবশ্যই সত্য। নইলে শাকিব খান পর্যন্ত তো আর তাঁর স্ত্রী বলতে যেতেন না! তাই না? তাঁর স্ত্রী নিশ্চয়ই বলেছেন তিনি আর নিতে পারেননি। একজন স্ত্রী এসব বিষয় কতটা নিতে পারবেন? কোনো স্ত্রী এসব নিতে পারেন?

প্রশ্ন: কিন্তু ফারজানা মুন্নী তো এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি নাকি প্ররোচিত হয়েছিলেন।
অপু বিশ্বাস: মুন্নী ভাবি অত্যন্ত বুদ্ধিমান, মেধাবী একজন মানুষ, পশ একজন ব্যক্তিত্ব। উনাকে হিপনোটাইজ (সম্মোহিত) করার জন্য আমার সঙ্গে তাঁর আরও পুরনো বন্ধুত্ব হওয়া দরকার। নইলে তো বিশ্বাস কিংবা হিপনোটাইজ করার জায়গাটা তৈরি হয় না। সেই জায়গা থেকে উনার সঙ্গে সেদিনই আমার প্রথম কথা হয়। উনি যখন রাত তিনটায় স্ট্যাটাস দিলেন, আধা ঘণ্টার মধ্যে সেটা সরিয়ে ফেললেন। দাবি করলেন, এটা হ্যাক হয়েছে। এবং একবাক্যে বলে দিলেন, আমি নাকি হ্যাক করেছি! দেখেন, আমি তো কোনো হ্যাকার না। কেউ যদি এটা হ্যাক করতেন তাহলে এত দ্রুত সেটা ফেরত পাওয়ার বিষয়টিও অবিশ্বাস্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই ইস্যুর সময়েও আমি মুন্নী ভাবির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিনতাম না।

অপু বিশ্বাস। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

প্রশ্ন: মুন্নী বলেছিলেন, আমি আসলে অপু মেয়েটাকে নিতে পারছি না...
অপু বিশ্বাস: দেখেন মুন্নী ভাবি এমন নয় যে, একমাত্র আমার সঙ্গেই কথা বলেছেন। তিনি খান সাহেবের সঙ্গেও কথা বলেছেন। প্রথমে খান ধরছিলেন না অচেনা নাম্বার দেখে। তখন মুন্নী ভাবি আমাকে বললে আমি খান সাহেবকে আশ্বস্ত করলাম যে, এটা ভাবির নাম্বার, ধরতে পার। তারা দুজনের কথা হয়েছিল দীর্ঘক্ষণ। এসব প্রসঙ্গ নিয়েই আমাকে ডিবি অফিসে ডাকা হয়েছিল। ভাবিকে নাকি হিপনোটাইজ করেছি! যাই হোক, উনারা বড় মাপের মানুষ, উনাদের সম্মানটাও গুরুত্বপূর্ণ। সেটা ধরে রাখার জন্য বলেছেন, আমি শ্রদ্ধা করি তাদের এই সম্মানের জায়গাটা। কিন্তু যে মহিলাকে ঘিরে তাপস ভাই গিয়েছেন, উনি (বুবলী) তো নিজেকে সম্মানিত বোধ করেন না; যদি করতেন তাহলে টিভি-মিডিয়ায় কী বলা দরকার, কী করা দরকার, কী প্রমাণ দরকার—এতকিছু উনি বলতেন না। কারণ, বেলাশেষে বাচ্চা দুটো বড় হচ্ছে। বীরও বড় হচ্ছে, জয়ও বড় হচ্ছে। এই যে তাদের বাবা-মায়ের বা এই যে সম্পর্কগুলো বারবার টানছেন, উনি আসলে প্রমাণ করাতে গিয়ে নিজেকে ছোট করছেন। সঙ্গে সঙ্গে বাচ্চাদের মেন্টালিটিও কিন্তু নষ্ট করে দিচ্ছেন। 

প্রশ্ন: শোনা যাচ্ছে, ছেলেকে (আব্রাম খান জয়) আপনারা বিদেশে পড়াশোনার জন্য পাঠিয়ে দিচ্ছেন?
অপু বিশ্বাস: জ্বি, ঠিক শুনেছেন।

প্রশ্ন: তাহলে কবে নাগাদ দেশের বাইরে যাচ্ছে জয়?
অপু বিশ্বাস: এটা তো একান্ত ব্যক্তিগত, বিষয়টি প্রকাশ করব না। আর বাচ্চাকে বিদেশে পাঠানোর পেছনে এটিও একটি কারণ যে, আসি চাই না পারিপার্শ্বিক ব্যাপারগুলো ওর মাথায় আসুক। ও পড়াশোনা করবে ওর বাবার মুখ উজ্জ্বল করার জন্য। কারণ, ওর বাবা অনেক পরিশ্রম করে আজকের শাকিব খান হয়েছেন। আর অন্যরা শাকিব খানের নাম বেচে কিংবা তার ঘাড়ে পা দিয়ে বড় হতে চাচ্ছেন।

প্রশ্ন: ভালোবাসা দিবসে মুক্তি পেয়েছে ‘ট্র্যাপ’ এবং আপনার হাতে শেখ রাসেলকে নিয়ে নির্মিতব্য আরেকটি ছবির কাজ রয়েছে। নতুন ছবির কাজে কবে ফিরছেন?
অপু বিশ্বাস: মাত্র তো ঈদ গেল, এখন আসলে ছেলেকে নিয়ে একটু ব্যস্ত থাকব। জুন টু জুন ওদের স্কুলে ভর্তি মৌসুম। ওর ভর্তি নিয়েই এখন আপাতত ব্যস্ত থাকব। তারপর কাজে ফিরব।

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানকে উপহার দেওয়া হয়েছে বিশ্বখ্যাত সুইস ব্র্যান্ড রোলেক্সের একটি বিলাসবহুল ঘড়ি। আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য অনুযায়ী ঘড়িটির দাম প্রায় ৭০ লাখ টাকার কাছাকাছি। চ্যানেল আইয়ের বিশেষ...
ঈদে মুক্তি পাওয়া রায়হান রাফী পরিচালিত সিনেমা ‘প্রেশার কুকার’ এখনও দর্শক ও সমালোচকদের আলোচনায়। চার নারীকে ঘিরে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি শুধু গল্প বা অভিনয়ের জন্য নয়, পর্দার বাইরের নানা ঘটনাও আগ্রহ...
রূপালি পর্দায় খুব একটা নিয়মিত নন, তবু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময়ই থাকেন ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। কখনও শোরুম উদ্বোধন, কখনও ব্র্যান্ড প্রমোশন, আবার কখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন লুকে হাজির...
ব্যক্তিজীবন নিয়ে ভক্তদের উদ্দেশে নতুন বার্তা দিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। ভক্তদের তিনি অহেতুক তর্ক বা কাদা ছোঁড়াছুড়িতে না জড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সামাজিকমাধ্যমে নানা সময়ে তাঁকে ঘিরে যেসব...
ওই চিঠিতে দি মারিয়া লিখেছেন, ‘আর্জেন্টাইন হওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। আমাদের পতাকা বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তুলে ধরার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। একজন খেলোয়াড় হিসেবে এবং একজন মানুষ হিসেবেও উদাহরণ তৈরি করার...
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় রাজধানীসহ সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে।
সিলেট বিভাগে নতুন করে হাম রোগী শনাক্ত না হলেও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে আক্রান্ত আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে মোট মৃত্যুর...
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা (মেস) থেকে উচ্ছ্বাস কর্মকার নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর