প্রথম প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কের পর তমার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জনপ্রিয়তা আরও কমেছে। নির্বাচন থেকে তাঁর সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি এখন জোর আলোচনায়। এটি শুধু বিরোধী পক্ষের নয়। তাঁর নিজ দল ডেমোক্রেটিক পার্টির এক–তৃতীয়াংশই মনে করেন, আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত বাইডেনের।
রয়টার্স/ইপসস পরিচালিত এ সম্পর্কিত এক জরিপের ফল মঙ্গলবার প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে গুঞ্জন আরও তীব্র হয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ডেমোক্র্যাটদের ৩২ শতাংশই মনে করেন, আগামী ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত বাইডেনের। এ ক্ষেত্রে তাঁরা সিএনএন আয়োজিত প্রথম প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে জানান, ওই বিতর্কে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও আগামী নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প একের পর এক মিথ্যা বললেও তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেননি বাইডেন।
মজার বিষয় হচ্ছে, বিভিন্ন জরিপে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যথাক্রমে ৭৮ ও ৮১ বছর বয়সী দুই প্রার্থী জো বাইডেন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প—কারওই গ্রহণযোগ্যতা ৪০ শতাংশের বেশি আসেনি। ফলে দুই অজনপ্রিয় প্রার্থীর মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে আমেরিকানদের। এই বাস্তবতা বদলের অংশ হিসেবেই সামনে এসেছে বাইডেনের সরে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ। মুশকিল হচ্ছে বাইডেন ও ট্রাম্প উভয়ের জন্যই আগামী নির্বাচন তাঁদের রাজনৈতিক ভিত টিকিয়ে রাখার লড়াই। এবং কিছুটা ব্যক্তিগত বিষয়ও এর সাথে জড়িয়ে আছে।
অবশ্য বাইডেনের প্রার্থিতা নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সংশয়ের খবর এই প্রথম নয়। এর আগে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার আগে গত জানুয়ারিতে পরিচালিত রয়টার্স/ইপসস পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী ডেমোক্র্যাটদের ৪৯ শতাংশই বাইডেনের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিপক্ষে।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, বাইডেন যদি সরে দাঁড়ান, তবে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কে হবেন? রয়টার্স জানাচ্ছে, এখন পর্যন্ত এর উত্তর জানা নেই। তবে কমলা হ্যারিসসহ অনেকের নাম শোনা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন:



