ছোট একটা লিভিং রুমে ঢাউস এক সোফা রেখে দিলেন! কিংবা যেখানে বহু মানুষের আনাগোনা, সেই ঘরে ফেললেন ছোট এক সেট সোফা! কেমন বেমানান লাগবে বলুন তো!
ঘর যেমনই হোক, একসেট সোফা কিন্তু রাখতেই হয়। বাড়ির জন্য সোফা কিনতে গেলে মাথায় রাখুন কিছু বিষয়।
ঘরের সঙ্গে সামঞ্জস্য
দোকান বা শোরুমে সাজানো সোফা দেখতে ভালো লাগলেও সাতপাঁচ না ভেবে কিনে ফেলবেন না। ঘরের আকার ও অন্যান্য আসবাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সোফা কেনা উচিত। যে দেয়ালের সামনে সোফা রাখা হবে, সেই দেয়ালে জানালা না থাকলেই ভালো।
সোফার আকার
সিঙ্গেল থেকে শুরু করে অধিকসংখ্যক সিটের সোফা বাজারে সুলভ। ওয়ান সিটার, টু সিটার, থ্রি সিটারের পাশাপাশি রয়েছে এল শেপড, সোফা বেড, ডিভানের মতো মাল্টিপারপাস সোফাও। কোন সাইজের সোফা কেনা উচিত, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ঘরের কোন জায়গায় সোফা রাখতে চান, তা নির্ধারণ করা জরুরি। সঠিক আকারের সোফা নির্বাচন করার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যাতে সোফাটি ঘরের তুলনায় বড় কিংবা ছোট হয়ে না যায়। তাছাড়া কোনো দেয়ালের বিপরীতে সোফা বসানো হলে, সেজন্য যাতে দেয়ালের তাক বা ঘর সাজানোর উপকরণগুলো ঢেকে না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
সিটিং ম্যাটেরিয়াল বাছাই
সোফার সিটিং ম্যাটেরিয়াল হিসেবে সাধারণত সুতি, লিনেন, উল ও সিন্থেটিক ব্যবহার করা হয়। অনেকে আবার ফেব্রিক এবং লেদার ব্যবহার নিয়ে দ্বিধায় থাকেন। যদি আরাম এবং স্বস্তির সিটিং স্পেস চান, তাহলে লেদারের চেয়ে ফেব্রিকের সোফাই ভালো। অন্যদিকে যদি আপনার বাজেট বেশি থাকে, এমন কোথাও সোফা রাখতে চান যেখানে মানুষ খুব একটা বসবে না, তাহলে লেদারের সোফা ভালো হবে। বাসায় ছোট বাচ্চা থাকলে, সোফার কাপড় বা কুশন কভার হিসেবে বেশ কয়েক রঙের প্যাটার্ন বা চেক আছে এমন কাপড় বেছে নেবেন। এতে দাগ পড়লেও সহজে বোঝা যাবে না।
অটবি, হাতিল, আখতার, ব্রাদার্স ফার্নিচার, লিগেসি, রিগ্যাল, বেঙ্গল, নাদিয়া ফার্নিচার, নাভানা ফার্নিচার প্রভৃতি শোরুমে নান্দনিক নকশার সোফা দেখতে পাবেন। ফেব্রিক, লেদার, উডেন, রেক্সিন, বেত, আয়রন, স্টিল ও বাঁশের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী প্লাস্টিকের সোফাও বেছে নিতে পারবেন এসব ফার্নিচারের দোকান থাকে।
তাছাড়া ইন্টারনেটে সোফার অনেক নকশা সুলভ এখন। সেখান থেকে দেখে নিজের জন্য ‘কাস্টমাইজড’ নকশার সোফাও বানিয়ে নিতে পারবেন।


বুকশেলফ সাজাবেন কীভাবে? জেনে নিন
