ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের দমন করার ঘটনা সংক্রান্ত পুলিশের যাবতীয় নথিপত্র, সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও চিত্র সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট।
গত ২০ ও ২১ জুলাই দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগের ঘটনার বিষয়ে জনস্বার্থে দায়ের করা দুটি মামলার শুনানিতে বুধবার দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্র সরকার ও দিল্লি পুলিশকে এই নির্দেশ দেন।
প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শুনানি চলাকালে পর্যবেক্ষণ দেন, আবেদনকারীরা যেসব ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেছেন, সেগুলোকে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করে আদালত বলেন, "তাদের (আন্দোলনকারীদের) ব্যক্তিগত অভিযোগ নিয়ে পুলিশের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়তো আপনাদের (পুলিশের) যুক্তিতে সঠিক ছিল। তবে ঘটনাগুলো মোটেও কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়।"
হাইকোর্ট আরও আদেশ দেন, "বিবাদীদের পক্ষ থেকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে পাল্টা হলফনামা দাখিল করতে হবে। এরপর আবেদনকারীদের প্রত্যুত্তর (রিজয়ন্ডার) দাখিলের জন্য আরও দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হলো।"
একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দেন, রিট পিটিশনে উল্লিখিত ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের নথিপত্র, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ভিডিও চিত্র (যদি থাকে), পুলিশের জারি করা প্রমিত কার্যপদ্ধতি (এসওপি) অনুযায়ী সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
মামলাটির পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।


‘তেলাপোকা’ বিদ্রোহে মোদির বিদায়ঘণ্টা?
