পাস্তা এখন ইতালি বা পশ্চিমা দেশের খাবার হিসেবে চিহ্নিত নয়। বহু আগে উপমহাদেশের হেঁশেলেও ঢুকে পড়েছে এই মজাদার পদটি। আমাদের দেশে বর্তমানে পাস্তা এতটাই সহজলভ্য যে, রাস্তার ধারে ফুডকার্টে যখন-তখন ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে।
আজকের দিনটি পাস্তাপ্রেমীদের জন্যই। কারণ বিশ্বজুড়ে প্রতিবছরের ২৫ অক্টোবর পাস্তা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।
দিনটির উৎপত্তি ১৯৯৫ সালে। জানা যায়, ১৯৯৫ সালের এদিন ইতালির রোমে বিশ্ব পাস্তা কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯৮ সালে নেপলস শহরে বসে তাদের দ্বিতীয় অধিবেশন। সে অধিবেশনেই ২৫ অক্টোবরকে বিশ্ব পাস্তা দিবস হিসেবে পালন করার ঘোষণা আসে।
সবাই জানে, পাস্তার উৎপত্তি ইতালি থেকে। রোমানরা নাকি পানি আর ময়দা সহযোগে প্রথম পাস্তা তৈরি করেছিল। যদিও কিছু রিপোর্টে দাবি করা হয়, পাস্তা প্রথম চীনে তৈরি হয়েছিল।
১৭৮৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট টমাস জেফারসন আমেরিকায় ম্যাকারনি মেশিন নিয়ে আসেন; আস্তে আস্তে খাবারটির বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। সময়ের সাথে ক্রিম সস এবং পনিরসহ পাস্তা রান্নার ধারণা প্রসার লাভ করে।
বিশ্বে এখন ২০০টির বেশি ভিন্ন আকৃতির পাস্তা রয়েছে। স্প্যাগেটি, ম্যাকারনি, ক্যাজারেচ্চে, ক্যাভাতেল্লি, কনচিগ্লি ইত্যাদি পাস্তা টমেটো সসের সঙ্গে খেতে ভালো লাগে। এছাড়াও রয়েছে রাফিওলি, রিগাটনি, টর্টেলিনির মতো ছোট আকারের পাস্তা।

শুকনো ও তাজা দুই ধরনের পাস্তাই মেলে। শুকনো পাস্তা বাজার থেকেই কেনা হয়, আর তাজা পাস্তা ঘরে তৈরি করা হয়।
পাস্তা অত্যন্ত উপাদেয়। খাবারটি হজম হতে সময় নেয়, তাই পেটও ভরা থাকে অনেকক্ষণ। প্রিয় রেস্তরাঁয় পাস্তা খাওয়ার জন্য আজকের দিনের চেয়ে সেরা হতে পারে না। চাইলে বাড়িতেও স্বাস্থ্যকর উপায়ে বানিয়ে নিতে পারেন আপনার পছন্দের রেসিপিতে পাস্তা।


বাড়িতে বানান মজার পাস্তা সালাদ
