শুকনো ফলের মধ্যে খেজুর বেশ উপকারী। রমজান মাসে প্রায় সকলে খেজুর খেয়ে থাকেন। তবে খেজুরের উপকারিতার কথা মাথায় রেখে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে না খেয়ে, বরং সারা বছরই খেজুর খেতে পারেন।
খেজুর খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিকরও বটে। যেহেতু শুকনো ফল, সেহেতু কাঁচ বা বাতাস চলাচল করে না এমন বয়ামে খেজুর সংরক্ষণ করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে কাঁচের কিংবা প্লাস্টিকের মুখবন্ধ বয়াম বেছে নিতে পারেন।
খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম। খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খেলে শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। এ ছাড়া খেজুর খেলে পেট ভরা থাকে অনেকক্ষণ। ফলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা লাগবে না।
আসুন জেনে নিন, খেজুরের উপকারিতাগুলো:
১. খেজুরে রয়েছে গ্লুকোজ, ফ্রুকটোজ এবং সুক্রোজ। এসব উপাদান রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়।
২. খেজুরে উচ্চ ফাইবার হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। এতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা লাঘব হতে পারে।
৩. খেজুরে আছে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা হার্টের অসুখ, অ্যালঝাইমারের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া শরীরের ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে খেজুর।
৪. খেজুরের পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি৬ জীবনীশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৫. খেজুরে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন বি রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। খেজুর খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
৬. খেজুরের বিভিন্ন উপাদান মস্তিষ্ক প্রাণবন্ত রাখে। তাই মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে খেজুর খেতে পারেন।
৭. খেজুর প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে শরীরের পেশি গঠনে সহায়তা করে। এ ছাড়া খেজুর হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতাও বাড়ায়।
৮. খেজুরে আয়রন আছে। তাই যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তাদের জন্য খেজুর খুব উপকারী।
৯. খেজুরে ক্যালসিয়াম আছে, যা হাড় গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া নিয়মিত খেজুর খেলে ত্বক ভেতর থেকে সজীব হয়ে ওঠে।
১০. তবে, ডায়াবেটিস থাকলে খেজুর খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদের পরামর্শ গ্রহণ করুন।
সূত্র: হেলথলাইন
আরও পড়ুন:



