শীত মানেই ভ্রমণের মৌসুম। এই সময় কোথাও ঘুরতে যাবেন না, তা কি হয়? একটুখানি সময় পেলেই বেরিয়ে যেতে পারেন ঘুরতে। কিন্তু লম্বা ভ্রমণে নিজেকে সুস্থ রাখাটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঘুরতে গিয়ে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত খাওয়াদাওয়ার ওপর।
ভুলভাল খেয়ে শরীর খারাপ করলে পুরো ট্যুরটাই নষ্ট হতে বাধ্য! জেনে নিন ঘুরতে গিয়ে কী কী রাখবেন ডায়েটে।
বেড়াতে গিয়ে বেশি তেল-মশলাযুক্ত, ভাজাভুজি বা গুরুপাক খাবার না খেয়ে হালকা খাবার খাওয়াই ভাল। ভারি খাবার হজম হতে সময় নেয়। এতে পেট ফোলা, ফাঁপা, গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। তাই এসময় সহজপাচ্য খাবার বেছে নিন।
দীর্ঘ যাত্রায় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা ভীষণ জরুরি। সঙ্গে সব সময় পানির বোতল রাখবেন। তবে স্থানীয় পানি খাওয়ার আগে তা নিরাপদ কি না, নিশ্চিত হয়ে নিন। অতি উৎসাহী হয়ে ঝরনা, নদী, বা অন্য যেকোনো উৎস থেকে চট করে পানি মুখে দেওয়াটা নিরাপদ নয়।
ভ্রমণের ব্যাগ গোছানোর সময়ই কিছু শুকনা খাবার সঙ্গে নিন। এতে থাকতে পারে গুড়, মুড়ি, চিড়াভাজা, চানাচুর, ডালভাজা, বিস্কুট, কেক ইত্যাদি। ঘরে বানানো হোক কিংবা প্যাকেটজাত এই খাবারগুলো ভ্রমণে নিলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন।
ট্রেন বা বাস জার্নির সময় পাউরুটির মাঝে পছন্দমতো মাংস-সবজির পুর দিয়ে স্যান্ডউইচ বানিয়ে সঙ্গে নিতে পারেন। ডিম সেদ্ধও হতে পারে ভ্রমণে সঙ্গে নেয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। এনার্জির জন্য থাকতে পারে খেজুর।
বেড়াতে গিয়ে নিশ্চয়ই সেখানকার স্ট্রিট ফুড বা স্থানীয় খাবার চেখে দেখবেন! তবে না বুঝে উলটো-পালটা জায়গা থেকে খেয়ে পেটের অবস্থা যেন খারাপ না হয় সেদিকে সতর্ক থাকবেন।
অনেকেরই নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হয়। ট্যাবলেট, ক্যাপসুল তো বটেই, ইনহেলার বা ইনসুলিনের প্রয়োজন হয় অনেকের। এই ওষুধগুলো সঙ্গেই রাখুন।


শিশুকে নিয়ে ভ্রমণে যাচ্ছেন? জেনে রাখুন এসব বিষয়
৫-৪-৩-২-১ পদ্ধতিতে গোছান বেড়াতে যাওয়ার স্যুটকেস
বাইক নিয়ে ভ্রমণে যাওয়ার আগে যা খেয়াল রাখবেন 
