একঝাঁক তরুণ মঞ্চশিল্পীকে নিয়ে নির্মিত সিরিয়াল ‘সার্কাস ভবন’। যেখানে পাঁচজন ব্যাচেলরকে ঘিরে এগিয়েছে গল্প, পর্দায় উঠে এসেছে দেশের সমসাময়িক প্রেক্ষাপট। অভিনয়ের পাশপাশি এর গল্প লিখেছেন জনপ্রিয় তরুণ অভিনেতা আব্দুল্লাহ আল সেন্টু। সিরিয়ালটির জন্য তিনি একটি গানও লিখেছেন। শিরোনাম ‘সমাজটা সার্কাস’।
রোববার (৪ জানুয়ারি) অন ফ্রেম ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে সিরিয়ালটির ট্রেলার। আগামী ৮ জানুয়ারি প্রচারে আসবে নাটকটি। দেখা যাবে প্রতি শনি থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৮টায়। অবশ্য তার আগেই আগামীকাল মুক্তি পাচ্ছে গানটি। যৌথভাবে তা লিখেছেন সেন্টু ও আওরেঙ্গজেব।
গানটি গেয়েছেন তাফসির স্বরণ। শুটিং হয়েছে রাজধানীর সদরঘাটে। অন ফ্রেম ছাড়াও এটি প্রকাশিত হবে তাসরিফ স্মরণ ও সিনথেসিস মিউজিক ইউটিউব চ্যানেলে।

ইনডিপেনডেন্ট ডিজিটালকে আব্দুল্লাহ আল সেন্টু বলেন, ‘ভাবনা ছিল আমরা একটা গল্প নিয়ে ধারাবাহিক করব, যেখানে ব্যাচেলর লাইফ থাকবে, আর সেখানে থাকবে জীবনের প্রতিচ্ছবি—বন্ধুত্ব, পলিটিক্যাল স্যাটায়ার, পারিবারিক আবেগ সবকিছু।’
সেই আঙ্গিকে ব্যতিক্রমভাবে নির্মিত হয়েছে নাটকটির শিরোনাম সংগীত সমাজটা সার্কাস। সেন্টু বলেন, ‘ধারাবাহিকে যেভাবে চরিত্রগুলো রয়েছে—ঠিক ওই ভাবে না, আমরা একটু ভিন্নভাবে গানটা করতে চেয়েছি এবং এখনকার সময়কে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।’
জানা যায়, সিরিয়ালের পাঁচটি চরিত্রের প্রত্যেকের জীবনে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। কেউ ফিল্মমেকার হতে চায়, কেউ-বা বামপন্থী রাজনীতিতে জড়িত, আবার একজন গ্রামে বড় অপরাধ করে ঢাকায় এসে থাকছে—এমন পাঁচজন।
সেন্টুর ভাষ্য, ‘চরিত্রগুলোর যেসব ঘটনা ধারাবাহিকে ঘটে, সেগুলোকে কেন্দ্র করে এখনকার সমসাময়িক ইস্যু এই গানের সঙ্গে মিলে যাবে। গল্পটা যেহেতু আমাদের চারপাশের বিভিন্ন সার্কাজম ঘটনা নিয়ে, তাই পর্দাতেও আমরা তেমন সার্কাসই করব আরকী!’
এদিকে, সিরিয়ালটির শুটিং হয়েছে কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন লোকেশনে। আব্দুল্লাহ আল সেন্টু ছাড়াও অভিনয় করেছেন ফাতিমা আক্তার ইয়ামন, সাক্ষ্য শাহীদ, মাজহারুল ইসলাম জুয়েল, ফয়সাল আহমেদ, শিখা কর্মকার, মোহাম্মদ আশেকুর রহমান চমন, আরিফুল রুবেল, রিগ্যান বড়ুয়া, মনিরুজ্জামান মনি, শাহ্ শান্ত, কনোজ দাস, প্রিয়ন্তী বালা রুমা, মরিয়ম রোজী, মো. পারভেজ প্রমুখ। সিরিয়াল ও মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন আর আই লিপসন। কাহিনী, সংলাপ ও চিত্রনাট্য লিখেছেন আব্দুল্লাহ আল সেন্টু, আর আই লিপসন ও আরিফুল রুবেল।
সেন্টু বলেন, ‘অভিনয়শিল্পীরা সবাই তরুণ, সবাই থিয়েটারে কাজ করেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো তরুণ থিয়েটার আর্টিস্টদের নিয়ে এমন ঝুঁকি নিতে চান না। আমরা সবাই রিহার্সাল করেছি, পরিশ্রম করেছি, এখানে দর্শকরা নন-ড্যান্সারদের ড্যান্স দেখতে পাবেন। কোরিওগ্রাফি করেছেন শোভন সূর্য। আশা করছি দর্শকরা ভিন্ন কিছু দেখতে পাবেন।’


সংসার ভাঙল জয়-মাহির
ইন্ডিয়া একসময় নিজেরা নিজেরাই ক্রিকেট খেলবে: কুদ্দুস বয়াতি
