ডেঙ্গু চিকিৎসায় শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে বেসরকারি হাসপাতালেও। এতে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করায় বাড়ছে জটিলতা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার না থাকায় আগস্টে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। সংকট মোকাবিলায় অনেক হাসপাতালে যুক্ত করা হচ্ছে একাধিক ডেঙ্গু ওয়ার্ড।
মুগদার বাসিন্দা আহসান হাবিব মিলন। ডেঙ্গু আক্রান্ত সন্তানকে বাসায় রাখতে হয়েছে তিন দিন। কারণ শয্যা মেলেনি হাসপাতালে। ডেঙ্গু শনাক্তের দিন যেখানে প্লাটিলেট ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার। বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তির সময় প্লাটিলেট নেমে আসে ৩১ হাজারে।
শয্যা সংকটের এমন চিত্র এখন বেসরকারি হাসপাতালেও। কয়েক দিন অপেক্ষার পর মিলছে শয্যা। এতে অনেকের শারীরিক অবস্থা জটিল হচ্ছে বলে দাবি রোগীর স্বজনদের।
আর সরকারি হাসপাতালের অবস্থা আরও ভয়াবহ। ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম অবস্থা চিকিৎসকদের। অনেক হাসপাতালে মেঝেতেও জায়গা হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতির জন্য সিটি করপোরেশনকে দায়ী করছে রোগী ও তাদের স্বজনেরা।
সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক ডা. খলিলুর রহমান বলেছেন, আগস্টে আরও ভয়াবহ হবে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। সে প্রমাণ মিলল প্রথম দিনেই। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের, আক্রান্ত ২ হাজার ৫৮৪ জন। নতুন নতুন ওয়ার্ড খুলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।
বর্তমানে দেশের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি আছেন ৯ হাজার ২২৬ জন। এদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনই রাজধানীর হাসপাতালে ভর্তি।



