পটুয়াখালীর বাউফলে এক প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৪) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ভুক্তভোগীর মা-বাবাকে মারধর করে অভিযুক্ত হোসেন হাওলাদরের বাবা ও ভাই। পরে আজ শনিবার সকালে হোসেনের বাবা সেলিম হাওলাদার ও ভাই হাসানকে আটক করে পুলিশ।
এর আগে গতকাল শুক্রবার সকালে বাউফলের একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, কয়েক দিন আগে থেকে অভিযুক্ত হোসেন প্রতিবন্ধী কিশোরীর বাড়ির পাশে ঘোরাফেরা করছিল। ঘটনার দিন শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে অভিযুক্ত হোসেন ওই কিশোরীকে নির্জনস্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় বাড়িতে কেউ ছিল না। কিছুক্ষণ পর কিশোরীর মা বাড়ি ফেরার পর তার মেয়ের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে যান। একপর্যায়ে অভিযুক্ত হোসেন দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগী কিশোরীকে তার স্বজনেরা বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় অভিযোগ দেন।
অভিযোগ উঠেছে, অভিযোগ দায়েরের পর অভিযুক্তের বাবা সেলিম হাওলাদার ও ভাই হাসান ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা ও মাকে মারধর করে এবং তুলে নেওয়ার হুমকি দেয়। এ খবর পেয়ে পুলিশ আজ শনিবার সকালে অভিযুক্তের বাবা ও ভাইকে আটক করে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. আব্দুর রউফ বলেন, ওই কিশোরীর ঘটনার শোনার পরে, তাকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হেসেন বলেন, শুক্রবার রাতে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। ভুক্তভোগীর বাবা ও মাকে মারধরের অভিযোগে অভিযুক্ত হোসেনের বাবা ও ভাইকে আটক করা হয়েছে।



