দীর্ঘ এক যুগ পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ফলে ২৫০ শয্যার পটুয়াখালী হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। দ্রুত হাসপাতালটি চালুর দাবি ভুক্তভোগীদের।
পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের প্রতিদিনের চিত্র এটি। শয্যা সংকটে মেঝে, করিডোর এমনকি বারান্দায়ও চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীরা। হাসপাতালটিতে প্রতিদিন ভর্তি থাকে অন্তত ৮০০ থেকে ১০০০ রোগী।
সংকট নিরসনে ২০১৪ সালে হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। ২০২০ সালে ৫৪৬ কোটি টাকার এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে তিন দফা, বাড়ে ব্যয়ও। তবে এখনো চালু হয়নি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমির লিজা বলেন, ‘শয্যা সংকটের কারণে অনেক সময় বাড়তি রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয়।’
পটুয়াখালী ৫০০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালক ডা. এস এম কবির হাসান বলেন, ‘প্রকল্পের সিংহভাগ কাজ শেষ হলেও পুরোনো ভবনের সঙ্গে নতুন ভবনের সংযোগ সড়ক ও জনবল কাঠামো তৈরি করতে না পারায় চালু করা যাচ্ছে না হাসপাতালটি।’
পটুয়াখালীর গণপূর্ত উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী অসীম চন্দ্র স্বর্ণকার বলেন, ‘শিগগির কানেক্টিং সড়ক ও ওভারব্রিজের কাজ শুরু করা হবে।’
৫০০ শয্যার হাসপাতাল ব্যবস্থা চালু হলে রোগীদের ভোগান্তি লাঘবের পাশাপাশি উপকূলের মানুষ পাবে উন্নত চিকিৎসা ও আধুনিক অস্ত্রপচার সুবিধা।



