চট্টগ্রামে হাত ও পায়ের রগকাটা অবস্থায় উদ্ধারের পর শামীম মাসুদ খান নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। গতকাল রোরবার রাতে পতেঙ্গা বেটার্মিনাল এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে। পরে নেওয়া হয় হাসপাতালে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যা। এদিকে ঘটনা অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
নিহত শামীম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার প্রকৌশলে পড়াশোনা শেষ করে এমবিএ করছিলেন। শামীমের বাড়ি বরিশাল হলেও পৈতৃক ব্যবসার কারণে থাকতেন চট্টগ্রামে। শামীমের পরিবার জানিয়েছে, সম্প্রতি জাপান যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল তিনি। শামীমের এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে দায়ীদের খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছে তাঁরা।
এদিকে ঘটনাটিকে রহস্যজনক বলছে পুলিশ। নিহত শামীম কীভাবে, কার মাধ্যমে আহত হলেন, সেটি খতিয়ে দেখছে তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম জানান, রোববার দুপুরে সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে শামীমকে হালিশহরের বাসা থেকে ফোনকলে কে বা কারা ডেকে নিয়ে যায়। বিকেল ৩টার দিকে তাঁর ভাইয়ের ফোনকল করে জানানো হয়- গুরুতর আহত অবস্থায় শামীম রিংরোড বে-টার্মিনাল এলাকায় পড়ে আছে।
পরে স্বজনেরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাত-পায়ের রগকাটা অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর মারা যান শামীম।



