নোয়াখালীতে একের পর এক মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। সিসিটিভি ক্যামেরায় ফুটেজ পাওয়া গেলেও চোরদের খুঁজে পাচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, চুরি ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি পুরো শহরকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার কাজ চলছে।
২৫ আগস্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের সামনে থেকে চুরি হয় একটি মোটরসাইকেল। ১৮ আগস্ট সুধারাম থানার কয়েক গজ দূরত্বে চুরি হয় দৈনিক জনকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধির মোটরসাইকেল। এছাড়া, ৮ আগস্ট চুরি হয় আরেকটি মোটরসাইকেল।
তিন মাসে জেলা শহরে অন্তত ৩০টি মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় চোরের চেহারাসহ সবকিছু দেখা গেলেও পরে মোটরসাইকেল বা চোর কোনোটিই মেলেনি। নথিপত্র না থাকায় অনেকেই থানায় অভিযোগ দেননি। যারা অভিযোগ দিয়েছেন তারাও হতাশ।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এন এম নাছিরুদ্দিন বলেন, ‘মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় ৩ মাসে মামলা হয়েছে ৫টি। চুরি ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানো এবং পুরো শহরকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার কাজ চলছে।’
চুরি রোধে মোটরসাইকেল মালিকদেরও সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।



