বিদায়ী সপ্তাহে নেতিবাচক অবস্থায় দেশের দুই পুঁজিবাজার। সপ্তাহ শেষে ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ১৩০ পয়েন্ট। এসময় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–ডিএসইতে বাজার মূলধন কমেছে ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রায় ৮৮ ভাগ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ–সিএসইতে সপ্তাহ শেষে সূচক ৩২৪ পয়েন্ট কমেছে।
গেল সপ্তাহে ঢাকার শেয়ারবাজারে ৪ দিনের মধ্যে ৩ কার্যদিবসই সূচক কমেছে। এতে পুরো সপ্তাহজুড়েই নেতিবাচক অবস্থায় ছিল ঢাকার শেয়ারবাজার। সপ্তাহ শেষে ডিএসইএক্স সূচক ১৩০ দশমিক চার পয়েন্ট কমেছে। অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬৫৫ পয়েন্টে। কমেছে অন্য দুটি সূচকও। কমেছে লেনদেন।
বিদায়ী সপ্তাহে মোট ২ হাজার ২৮৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন ছিল ৪ হাজার ৫২৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এতে লেনদেন কমেছে ২ হাজার ২৪১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। এসময় প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৩৩ কোটি টাকার বেশি।
কমেছে বাজার মূলধন। গত সপ্তাহে বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৩১৮ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহে ছিল ৭ লাখ ৩ হাজার ৮১২ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে মূলধন কমেছে ৬ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। শতাংশের হিসেবে যা দশমিক নয় দুই শতাংশ।
বিদায়ী সপ্তাহে হাতবদলে অংশ নেওয়া ৩৮৮ টি কোম্পানি ও মিচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে প্রায় ৮৮ ভাগ শেয়ারের দর কমেছে। ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। কমেছে ৩৪২টির। অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর।
সপ্তাহজুড়ে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ। সায়হাম টেক্সটাইল দ্বিতীয়। তৃতীয় রানার অটোমোবাইলস।
শতাংশের দিক থেকে দর বৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক। শেয়ার দর বেড়েছে ১১ দশমিক তিন চার শতাংশ। দ্বিতীয় ফাইন ফুডস লিমিটেড। এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে এসকয়ার নিট।
অন্যদিকে, বিদায়ী সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক ৩২৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৫ হাজার ১৬৬ পয়েন্টে। সপ্তাহজুড়ে মোট লেনদেন ৪৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা।



