শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বারবার জামিনে মুক্তি পাওয়ার পেছনে দুর্বল এজাহার ও তদন্তে গাফিলতিই কারণ নয় বলে দাবি করেছে র্যাব। শীর্ষ সন্ত্রাসীরা বারবার জামিন পেলে তারাও হতাশ হন বলে জানান র্যাব-২ এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান। চুয়া সেলিমসহ মোহাম্মদপুরের ৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার সকালে বসিলায় সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
জেনেভা ক্যাম্পের আলোচিত শীর্ষ মাদক কারবারি চুয়া সেলিমকে বৃহস্পতিবার আবারও গ্রেপ্তার করে র্যাব-২। এর আগে ৩৬ মামলার এই আসামিকে র্যাব পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গ্রেপ্তার করেছে অন্তত ১০ বার।
একইদিন গ্রেপ্তার করা হয়, ১০ মামলার আসামি মাহি গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড জয়কে। র্যাব জানায়, জয়সহ মাহি গ্রুপের সদস্যারা দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান, চাঁদ উদ্যান, নবীনগর এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজী, মারপিটে লিপ্ত হয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিল।
বৃহস্পতিবার অস্ত্রসহ ২০ মামলার আরেক আসামি বোমা রতনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গজনবী রোড, বছিলা ও জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই ও অস্ত্রধারী চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল এই বোমা রতন।
চিহ্নিত এই আসামিরা বারবার গ্রেপ্তারের পর জামিন পাচ্ছেন দুর্বল এজাহার আর তদন্তের ঘাটতির করণে। এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন র্যাব-২ অধিনায়ক নয়মুল হাসান। তিনি জানান, শীর্ষ পর্যায়ের এসব আসামি জামিন পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও কাজে ব্যাঘাত ঘটে। এতে তারাও হতাশ হন।
মোহাম্মদপুর আর বসিলায় মাদকের কারবার দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, চাইলেও তা বন্ধ করা সহজ না বলে জানিয়ছে র্যাব। র্যাব-২ অধিনায়ক বলছেন, অপরাধ আগের চেয়ে এখন অনেক কমেছে। পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও সময় লাগবে।



