খুলনায় ডুমুরিয়ার উপজেলায় বিষাক্ত মদপানে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে খুলনায় দুই দিনে বিষাক্ত মদপানে সাত জনের মৃত্যু হলো। নিহতরা ডুমুরিয়ার উপজেলার থুকড়া গ্রামের বাসিন্দা রেজওয়ান গাজীর ছেলে রবিউল গাজী এবং একই এলাকার বাসিন্দা জামির সরদারের ছেলে রাসেল সরদার।
নিহতদের মধ্যে একজন শুক্রবার রাতে এবং অপরজন শনিবার রাতে মারা যান। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘শুক্রবার রাতে তারা দু’জনই থুকড়া বাজারে স্পিরিট জাতীয় অ্যালকোহল সেবন করে। রাতে রবিউল গাজীর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থা গুরুত্বর হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিউল গাজীর মৃত্যু হয়।’
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা সেখান থেকে মরদেহ বাড়ি নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তাঁর ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করা হয়।
অপরদিকে, রাসেল সরদার একই দিনে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি চিকিৎসকদের খুলে বললে তারা তাঁর চিকিৎসা করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাতে রাসেলের মৃত্যু হয়। সকালে তাঁর মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়। তবে, এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে কিছু জানানো হয়নি বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
অপরদিকে, গতকালও খুলনা নগরীতে বিষাক্ত মদপানে পাঁচজনের মৃত্যু হয়। শনিবার সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধীন বয়রা পূজা খোলা এলাকার ইসলামিয়া কলেজ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত ওই পাঁচজন হলো, বয়রা সেরের বাজার মোড়ের বাসিন্দা আব্দুর রবের ছেলে বাবু (৫০), বয়রা মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সামাদের ছেলে সাবু (৬০), বয়রা জংশন রোড এলাকার বাসিন্দা গৌতম কুমার বিশ্বাস (৪৭), সোনাডাঙ্গার রায়ের মহল এলাকার বাসিন্দা আজিবর (৫৯) এবং বয়রা পাবলিক কলেজ এলাকার বাসিন্দা তোতা (৬০)।
জানা গেছে, পাঁচজন মারার যাওয়ার পরিবারের সদস্যরা তাদের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছে। এছাড়াও সনু নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়েছে।



