সাতক্ষীরা পৌরশহরে দীর্ঘদিন ধরে অচল পুলিশের স্থাপন করা সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো। এতে বাড়ছে সাইকেল-মোটরসাইকেল চুরি ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধ। শহরজুড়ে তৈরি হয়েছে নিরাপত্তাহীনতা। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুরো পৌরশহরকে কার্যকর সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।
সীমান্তবর্তী জেলা সাতক্ষীরায় অস্ত্র ও মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে অপরাধী চক্র। ৮ বছর আগে ৪১টি পয়েন্টকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে ২ শতাধিক সিসিটিভি বসিয়েছিল পুলিশ।
তবে চার বছরের মধ্যে অচল হতে থাকে ক্যামেরাগুলো। যা সচল করতে পুলিশকেও কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। এরইমধ্যে জেলা শহরে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েছে ব্যাপকহারে। মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় দিশেহারা বাসিন্দারা।
সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধিত অপরাধের মধ্যে মাদকের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। তিন মাসে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে ২৫১টি । এছাড়া ৫০টি নারী নির্যাতন, ২১টি ধর্ষণ, ৯টি হত্যা, ১২টি চোরাচালান, ৭টি শিশু নির্যাতন, ৯টি সাইবার ও পর্নোগ্রাফি, ১৪টি ডাকাতি, ৫৮টি চুরির ঘটনা ঘটে।
সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম বলেন, ‘অচিরেই পুরো শহরকে সিসিটিভির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’
নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ জেলা পুলিশের উদ্যোগে সাতক্ষীরা শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও পয়েন্টগুলোতে বসানো হয় সিসিটিভি ক্যামেরা।


