টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে সৃষ্ট বন্যার আরও উন্নতি হয়েছে। জেলার পাহাড়ি ৪টি নদীর পানি কমা অব্যাহত রয়েছে। এসব নদীর পানি এখন বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে ব্রক্ষপুত্র, দশানি ও মৃগী নদীতে। পানি বৃদ্ধি পেলেও এসব নদীর পানি বিপদসীমার অনেক নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যায় জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও নকলায় এ পর্যন্ত মারা গেছে ১১জন।
জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও জনগণের দুর্ভোগ কমেনি। এখনো প্রতিটি এলাকায় খাদ্য সংকট রয়েছে।
গতকাল সোমবার জেলার নালিতাবাড়ীর ঘোনাপাড়ায় জিমি আক্তার নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বন্যায় কারণে ওই শিশুসহ নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও নকলায় ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। আজ মঙ্গলবার নকলার টালকী এলাকায় বন্যার পানিতে ডুবে রাহিম (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সে ওই এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। এ নিয়ে জেলার বন্যায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১১ জনে।
সবশেষ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান।
এদিকে বন্যা দুর্গত এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণসহ নানা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও বিএনপিসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১৩ বীরের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসান হাফিজিুল হক বলেন, ‘আমরা আমাদের সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা করছি দুর্গত এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করতে। আমাদের এ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’



